কান্দাহারে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে তালেবানদের ইস্তেশহাদী হামলা, শতাধিক শত্রুসেনা হতাহত!

0
576

ক্রুসেডার আমেরিকার মদদপুষ্ট আফগান মুরতাদ বাহিনীর পুলিশ সদরদপ্তরে হামলা চালিয়েছেন ইমারতে ইসলামিয়ার জানবায তালেবান মুজাহিদগণ। তালেবানদের উক্ত সফল হামলায় দেশটির মুরতাদ বাহিনীর অন্তত ১০০ সদস্য হতাহত হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশের রাজধানী শহর কান্দাহারের পুলিশ সদরদপ্তর টার্গেট করে এই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছেন তালেবান মুখপাত্র।

তালেবান মুখপাত্র ক্বারী ইউসুফ আহমাদি হাফিজাহুল্লাহ বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪:৩০টার সময় আফগানিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর কান্দাহারের পুলিশ সদরদপ্তর টার্গেট করে গাড়ি বোমা হামলা (ইস্তেশহাদী) ও ইনগিমাসী হামলা চালান তালেবান মুজাহিদগণ। এই অভিযানে অংশগ্রহণ করেন মাত্র ৪জন জানবায তালেবান মুজাহিদ।

প্রথমে একজন তালেবান মুজাহিদ ইস্তেশহাদী বোমা হামলা চালিয়ে বাহিরে অপেক্ষারত বাকি মুজাহিদদের ভেতরে ঢোকার সুযোগ করে দেন। যার ফলে মুরতাদ বাহিনীর অনেক সদস্য নিহত ও আহত হয়। এরপরে বাকি ৩জন তালেবান মুজাহিদ সদরদপ্তরের ভেতরে ঢুকে তীব্র হামলা চালানো শুরু করেন। এ সময়ের মধ্যে বাহির থেকে আফগান মুরতাদ বাহিনী পুরো সদরদপ্তরকে অবরুদ্ধ করে ফেলে। এভাবেই চলতে থাকে ৩ জনের বিপরীতে শত শত মুরতাদ সদস্যের লড়াই। অভিযান যখন এক ঘন্টা পেরিয়ে দ্বিতীয় ঘন্টা শুরু, তখন আরেকজন জানবায মুজাহিদ সদরদপ্তরের মূল ভবন লক্ষ্য করে ইস্তেশহাদী হামলা চালান। যার ফলে ভবনের দেয়াল ধসে পড়ে। বাকি থাকেন ২ জন মুজাহিদ প্রায় ৮ ঘন্টা যাবত সদরদপ্তরের ভিতরে তারা লড়াই চালিয়ে যান, এরপর শাহাদাত বরণ করেন আরো একজন তালেবান মুজাহিদ। এখানেই যুদ্ধ শেষ না, রাত তখন ১২টা বাজে! বেচেঁ আছেন মাত্র একজন মুজাহিদ! একাই লড়াই করতে থাকেন সদরদপ্তরের সকল মুরতাদ সদস্যদের বিরুদ্ধে।
অবশেষে ভোর ৫টায় অভিযান সমাপ্ত হওয়ার ঘোষণা করেন তালেবান মুখপাত্র। আল্লাহ তা’য়ালার করুণায় প্রায় ১২ ঘন্টা যাবত ৪জন মুজাহিদ শত শত আফগান মুরতাদ সেনা ও পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গেছেন, আল্লাহু আকবার।

আলহামদুলিল্লাহ, মুজাহিদদের এই বীরত্বপূর্ণ অভিযানে আফগান মুরতাদ বাহিনীর ১০০ এরও অধিক সদস্য নিহত ও আহত হয়। যাদের মাঝে ৪ উচ্চপদস্থ কমান্ডারও রয়েছে। তাদেরকে এখানে আনা হয়েছিল মুরতাদ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য।

মুজাহিদদের হামলায় আফগান মুরতাদ বাহিনীর প্রাদেশিক সদরদপ্তরের ভবনগুলো ধসে পড়ার পাশাপাশি পণ্য বহনকারী কয়েকটি গাড়ি, ট্যাংক ও অনেক সামরিকযান ধ্বংস হয়েছে এবং পুড়ে গেছে। আলহামদুলিল্লাহ।

 

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন