হিজাব পরিধান করায় হিন্দু শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীকে বেত্রাঘাত !

0
205

 

রাজধানীর পীরেরবাগ আলীম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণির ছাত্রী সানজিদা আক্তার হৃদি সাদা হিজাব, নীল বোরকা ও সাদা জুতা (ইউনিফর্ম রঙ অনুযায়ী) স্কুলে ঢোকার পর স্কুল এর একজন শিক্ষক তাকে বেত দিয়ে আঘাত করে এবং তাকে বিভিন্ন রকমের কথা বলে স্কুল থেকে বের করে দেয়। হিজাব বোরকা পরে নাকি স্কুলে যাওয়া যাবেনা। তারপর সানজিদা আক্তার বাসায় এসে ঘটনাটি তাঁর মাকে জানায়। সানজিদার মা প্রধান শিক্ষক (রমেশ কান্তি ঘোষ) এর সাথে কথা বলতে স্কুলে যায় – কেন তাঁর মেয়েকে বোরকা পড়ার কারণে বের করে দেওয়া হয়েছে!

কিন্তু প্রধান শিক্ষক (রমেশ কান্তি ঘোষ) কোন কথা ঠিকভাবে না শুনে তাঁর সাথে উগ্র মেজাজে কথা বলে এবং তাঁর সাথে খারাপ ব্যবহার করে,। প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে সানজিদার মাকে উক্ত রুমে উপস্থিত থাকা ম্যাডাম এর মাধ্যমে বের করে দেয়া হয়। এরপর হতাশ হয়ে সানজিদার মা বাইরে অনেক্ষণ অপেক্ষা করে আবারও কথা বলার উদ্দেশ্যে কিন্তু অনেক সময় পার হওয়ার পরও প্রধান শিক্ষক (রমেশ কান্তি ঘোষ) এর সাথে কথা বলা সম্ভব হয়না।

সানজিদার ভাই রাকিবুল হাসান  মায়ের কাছে উক্ত কথা শুনতে পায়। পরে রাকিব তার মা ও বোনসহ প্রধান শিক্ষক এর রুমে যায় কথা বলতে, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর ভেতরে ঢুকলে তখন প্রধান শিক্ষক বলে – কি ব্যাপার আপনারা আবার আসছেন কেন? এবং খারাপ ব্যবহার করে কথা বলে তাঁদের সাথে। তখন সেখানে আরো শিক্ষক এবং স্কুলের অফিস কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। বার বার কথা বলার চেষ্টা করলে, আলীম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক বলে – হিজাব ও বোরকা পরে স্কুলে আসা যাবেনা তার কাছে কারণ জানতে চাওয়ায় এবং তার এই খারাপ ব্যবহারগুলো মোবাইল এ ধারণ করা কালে সে তা দেখে ফেলায় এক পর্যায়ে সে রাকিবের মোবাইল ফোনটি নেয়ার জন্যে স্কুল এর কর্মচারী নাসিরকে বলে এবং সানজিদার মা বাঁধা দেয়ায় (জামান) উক্ত স্কুলের কর্মচারী সানজিদার মা এর দিকে রেগে এগিয়ে আসে এবং তাঁর গায়ে হাত তুলতে চায়। এ সময় সেখানে থাকা কিছু শিক্ষক তাকে কোন রকম ধরে রাখে।

রাকিবের হাতে থাকা মোবাইল এ ধারণ করা ভিডিওটি ডিলিট করার জন্যে এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক (রমেশ কান্তি ঘোষ) তার রুম এর দরজা বন্ধ করার নির্দেশ দেয় এবং দরজা বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে সে এবং তার স্কুলের কর্মচারী দু’জন মিলে রাকিবের উপর হামলা করে এবং তার হাতে থাকা কলম ঢুকিয়ে দিয়ে রক্তাক্ত করে মোবাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তাই সম্পূর্ণ ভিডিও করা সম্ভব হয়না। রাকিবের চিল্লানোর শব্দ শুনতে পেয়ে এলাকার কিছু লোক জড়ো হয়। কোন রকমে আহত অবস্থায় সানজিদাসহ মা ও ভাই সেখান থেকে বের হয়ে আসে।

সেখানে উপস্থিত থাকা কিছু মানুষ এবং নাম না জানা সেই প্রতিষ্ঠান এর তৃতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা বলে – এর আগেও এ ধরণের ঘটনা এখানে ঘটেছে এবং মামলাও হয়েছিলো।

তথ্যসূত্র-মুফতি রিজওয়ান রফিকীর ফেইসবুক পেইজ থেকে নেয়া।

Facebook Comments

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন