আগামী সপ্তাহেই শুরু হতে পারে রোহিঙ্গাদেরকে হিংস্র বৌদ্ধদের হাতে তুলে দেওয়ার মিশন!

0
375

স্বজাতি মুসলিমদের কাছে একটু নিরাপদ আশ্রয় পাবার আশায়, একটু সাহায্যের আশায় রোহিঙ্গারা এদেশে হিজরত করে এসেছিলেন। কিন্তু, আজ তাদের আবার মিয়ানমারের হিংস্র বৌদ্ধগোষ্ঠীর থাবায় ফিরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে! রোহিঙ্গা মুসলিমরা ফিরে যেতে না চাইলেও হিংস্র বৌদ্ধদের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে তাদের। অথচ, হিংস্র বৌদ্ধরা এখনও রোহিঙ্গাদের উপর গণহত্যা চালানোর জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। সেখানে বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে বৌদ্ধ সরকারের। এমনকি বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান বলছে, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার মত পরিবেশ তৈরি হয়নি। তো, এমন যুদ্ধরত এলাকায় হিংস্র বৌদ্ধদের হাতে মুসলিম রোহিঙ্গাদের তুলে দেওয়া কতটুকু সমীচীন?

আজ বাংলাদেশের নিকৃষ্ট জাতীয়তাবাদী চেতনাধারীরা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে! অথচ, ইসলাম জাতীয়তাবাদের এই নিকৃষ্ট বেড়াজালে ইসলামী ভ্রাতৃত্বকে আটকিয়ে রাখে না। ইসলামে সারাবিশ্বের মুসলিম এক দেহের মত, যার কোন অংশ আঘাতপ্রাপ্ত হলে অনিদ্রা ও জ্বরে ভোগে সারা দেহ। রোহিঙ্গারা কেবল মুসলিম হওয়ার ফলেই তাদের উপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে বৌদ্ধ সেনারা। তাই, মাজলুম রোহিঙ্গা মুসলিমদের সাহায্য করা সকল মুসলিমের উপর আবশ্যিক কর্তব্য। অথচ, আজ মুসলিম রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। কালের কণ্ঠ পত্রিকার তথ্যমতে, আগামী ২২শে আগস্ট থেকেই শুরু হতে পারে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে তাড়িয়ে হিংস্র বৌদ্ধদের হাতে তুলে দেওয়ার মিশন!

উল্লেখ্য, ২০১৭সালের ২৫শে আগস্ট থেকে মিয়ানমারের সন্ত্রাসী বৌদ্ধগোষ্ঠী এবং সরকার মিলে মুসলিমদের উপর আরাকান রাজ্যে ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যা চালায়। নৃশংস ঐ হত্যাকাণ্ডের বহু ভিডিও তথ্য প্রমাণ থাকলেও আজও নাকি এ নিয়ে দ্বিধাসংশয়ে ভোগে সন্ত্রাসবাদীদের পক্ষপাতী জাতিসংঘ। মুসলিমদের উপর চালানো ঐ বর্বরোচিত গণহত্যার প্রতিবাদে আজ পর্যন্ত কার্যকরী কোন পদক্ষেপ নেয়নি বিশ্ব মানবতার ধ্বজাধারীরা এবং বাংলাদেশ সরকার।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন