আজও মুশরিক হিন্দু সেনাদের সাথে লড়াই হয়েছে কাশ্মীরিদের!

1
437

হিন্দুত্ববাদী ভারতের কুফরী সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে আজ ১১ দিন, এর পূর্ব থেকেই অবরুদ্ধ করা হয়েছে পুরো কাশ্মীরকে। ১৪৪ ধারা ও কারফিউ জারি করার মাধ্যমে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে কাশ্মীরি মুসলিমদেরকে। বহু বছর ধরেই এই হিন্দুত্ববাদীদের আগ্রাসনের শিকার কাশ্মীরের মুসলিম সম্প্রদায়।
আজ তাদেরকে ঘরের বাহিরে, রাস্তা-ঘাটে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। হাজার হাজার সেনা টহল দিচ্ছে কাশ্মীরের অলি-গলিতে। রাস্তায় বেসামরিক কোন মানুষ নেই বললেই চলে, কেবলই হিন্দুত্ববাদী মুশরিক সশস্ত্র সেনাদের উপস্থিতি সেখানে! যেন এ এক বিশাল সামরিক ঘাঁটি!! বেসরকারি হিসাব মতে প্রায় ৭ লাখেরও অধিক হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা টহলের মাধ্যমে অবরুদ্ধ করে রেখেছে পুরো কাশ্মীর উপত্যকাকে।  সেখানের মানুষের খাবার ও প্রয়োজনীয় আসবাব পত্রও শেষ হয়ে গেছে বলে জানা যাচ্ছে। ক্ষুধার্ত অবস্থায় কত হাজার হাজার কাশ্মীরি মুসলিম অন্ধকার কুঠুরিতে দিন কাটাচ্ছেন তা আজ অজানা।

এমন কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়েও উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে কারফিউ উপেক্ষা করেই প্রথম থেকে আন্দোলন করে যাচ্ছেন সাধারণ কাশ্মীরিরা। যার ফলে ভারতীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর হিংস্র হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বহু  কাশ্মীরি মুসলিম, আহত হয়েছেন আরো অজানা সংখ্যক!

আজাদি আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ১৭ আগস্ট উপত্যকার কারপোরা অঞ্চলে ভারতীয় বাহিনীর সাথে কয়েক দফায় গোলাগুলি হয় কাশ্মীরি স্বাধীনতাকামীদের। যার ফলে বেশ কিছু মালাউন নিহত ও আহত হয়। বিপরীতে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় ৬ জন স্বাধীনতাকামী কাশ্মীরি শাহাদাত বরণ করেছেন বলে জানিয়েছে আযাদ কাশ্মীরের একটি সংবাদ মাধ্যম।

এদিকে, কাশ্মীর সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকায় হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় মুশরিক সেনাদের সাথে নাপাক পাকিস্তানী সেনাদের তীব্র গোলাগুলির খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেখানে উভয় পক্ষের কতিপয় সেনা হতাহত হওয়ার খবরও গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।

১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন