বিশালাকারের বন্দী শিবির তৈরি করবে ভারত, আতংকে মুসলিমরা!

2
514

গো-পূজারী মুশরিক হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় সরকার চল্লিশ লক্ষাধিক বাসিন্দাকে বিদেশী ঘোষণা দেওয়ার চেষ্টায় আছে। যাদেরকে বিদেশী ঘোষণা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে তাদের বেশিরভাগই বাংলাভাষী মুসলিম। ভারতের আসাম রাজ্যে বহু বছর ধরে বসবাস করে আসছেন এসকল মুসলিমরা। কিন্তু, এখন হিন্দুত্ববাদী মুশরিক সরকার তাদেরকে অবৈধ বিদেশী আখ্যা দিয়ে দেশ থেকে তাড়ানোর অথবা জেলে বন্দী করে রাখার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

বার্তাসংস্থা নিউইয়র্ক টাইমস্  জানিয়েছে, কথিত অবৈধ বিদেশীদের বন্দী করে রাখার জন্য হিন্দুত্ববাদী মুশরিক সরকার বিশাল আকারের নতুন বন্দী ক্যাম্প গড়ার পরিকল্পনা নিয়েছে এবং দ্রুত বিদেশী ট্রাইব্যুনাল বাড়িয়েছে। ইতিপূর্বে শত শত মানুষকে কথিত অবৈধ অভিবাসী আখ্যা দিয়ে বন্দী করেছে হিন্দুত্ববাদী সরকার।

কথিত নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়া এবং জেলে বন্দী হওয়ার ভয়ে ইতিপূর্বে বহু মানুষ আত্মহত্যাও করেছেন বলে জানান স্থানীয় সংবাদকর্মী এবং আইনজীবীরা। ২০১৮সালের ১৯ ডিসেম্বর ‘দৈনিক ইনকিলাব’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী, হিন্দুত্ববাদী মুশরিক সরকারের কথিত নাগরিক তালিকায় নাম উঠায় তখন পর্যন্ত ৩৪জন আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা যায়।

কিন্তু, এদিকে ভ্রুক্ষেপ করারও প্রয়োজন মনে করেনি নরেন্দ্র মোদির মুশরিক হিন্দুত্ববাদী সরকার ।

নিউইয়র্ক টাইমস্ জানিয়েছে, মুশরিক হিন্দুত্ববাদী সরকারের এরূপ পদক্ষেপের কারণে ভয়-আতংকে দিনাতিপাত করছেন আসামের মুসলিমগণ। অন্য ধর্মাবলম্বী কিছু মানুষের নাম এনআরসিতে না উঠলেও তাদের চিন্তার কারণ নেই। কেননা, সন্ত্রাসবাদী মুশরিক মোদি সরকার মুসলিম বাদে অন্যসকল ধর্মাবলম্বীদের ভারতে থাকার ব্যবস্থা করবে বলে জানিয়েছে। এগুলোও হিন্দুত্ববাদীদের উপমহাদেশে রামরাজত্ব প্রতিষ্ঠা স্বপ্নের পদক্ষেপ।

এদিকে, হিন্দুত্ববাদীদের দাবি আসামে বসবাসকারী মুসলিমরা নাকি বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে সেখানে গিয়েছে। তাদেরকে ভারতের গেরুয়া সন্ত্রাসবাদী মুখ্যমন্ত্রী অমিত শাহ ‘উইপোকা’ বলে কটাক্ষ করেছে।

এভাবে ধীরে ধীরে ভারতকে মুসলিমমুক্ত করার পরিকল্পনা করে যাচ্ছে সন্ত্রাসবাদী হিন্দু সরকার। তাই, পরিস্থিতি এক বিশাল যুদ্ধের দিকে মোড় নিতে পারে বলে মনে করেন বিশ্লেষকগণ।

2 মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন