আবারো আলোচনায় মুভ ফাউন্ডেশন!

3
724

খ্রিষ্টান মিশনারী মুভ ফাউন্ডেশন ইতিপূর্বেও বেশ কিছু ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপের জন্য সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছিল। এবার পুনরায় ইসলামবিদ্বেষী ঐ সংস্থাটি আলোচনায় এসেছে। বুধবারে গুলশানের অভিজাত একটি হোটেলে তরুণ মস্তিষ্ক বিক্রেতা নামধারী কিছু “ইসলামিক” লেখক, সেক্যুলার ও জাতীয়তাবাদের নিকৃষ্ট চেতনাধারী সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা, কূটনীতিবিদরকে নিয়ে খ্রিষ্টান মিশনারীটি মতবিনিময়ের নামে “আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহঃ বাংলাদেশে উগ্রবাদ উস্কে দিচ্ছে” শিরোনামে একটি সভার আয়োজন করে।
জানা যায়, বুধবার মুভ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহ: বাংলাদেশে উগ্রবাদ উস্কে দিচ্ছে?’শিরোনামের উক্ত মতবিনিময় সভায় আলোচনার মুল বিষয়বস্তুই ছিল জিহাদ বা তাদের ভাষায় ‘উগ্রবাদ’।
এতে অংশগ্রহণকারীরা নির্যাতিত কাশ্মীর, ফিলিস্তিন, রোহিঙ্গা, আসাম, উইঘুর, আফগান তালেবান মুজাহিদ ও ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনাসহ আন্তর্জাতিক চলমান ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে দাবী করে যে, আন্তর্জাতিক এই ঘটনাপ্রবাহের ফলে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে তাতে তরুণরা জঙ্গিবাদ (জিহাদ) বা উগ্রবাদে দীক্ষিত হচ্ছে। তাই তরুণদেরকে জিহাদ বা কথিত উগ্রবাদ থেকে রক্ষা করতে হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক এসব ঘটনার সঙ্গে তরুণরা কেন একাত্মতা বোধ করেছে তা বের করে পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও জানায় তারা। এছাড়াও প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাফেরদের জন্য তৈরিকৃত জাতিসংঘকে শক্তিশালী করা এবং সার্বজনীন কথিত মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করতেও তারা দাবি জানায়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ঈমান বিক্রেতারা, সেক্যুলার ও জাতীয়তাবাদের নিকৃষ্ট চেতনাধারী বক্তারা মানুষকে ধর্মের চোখে না দেখে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার পরামর্শ দেয়। আলোচকরা উগ্রবাদে জড়িতদেরকে মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে এর প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথাও উল্লেখ করে।
মুভ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট সাইফুল হকের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখে পুলিশের এন্টি টেরোরজিম ইউনিটের পুলিশ সুপার মাহিদুজ্জামান, ডিজিএফআই’র ইমামুল আরেফিন ও মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল অফিসার জ্যাকব লেভিন।
এই মুভ ফাউন্ডেশন কওমিদের একটি অংশকে নিয়ে কৌশলে ইসলাম বিরোধী কাজ করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ ও সত্যতা রয়েছে। তারা খুব কৌশলে কওমী অঙ্গনে সেক্যুলার, জাতীয়তাবাদ ও কথিত ‘মানবধর্ম’র বীজ বপন করেছে এবং ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধান জিহাদের বিপক্ষে কথা বলার দীক্ষা দিচ্ছে।

3 মন্তব্যসমূহ

  1. এমন আক্রমণ করা উচিত যাতে এধরণে সভা সমাবেশ করার সাহসও না পাই। প্রিয় ভাইয়েরা, আমরা তাদের ধংসের নিউজ পড়তে চাই, তারা কিন্তু দিন দিন বড় হয়ে যাচ্ছে। এখন ই তাদের থামিয়ে দেওয়ার মোক্ষম সময়।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন