কুন্দুজে তালেবান মুজাহিদদের হামলা, ২টি সামরিক ঘাঁটি, ১টি থানা ও ৩৫টি চেকপোস্টসহ অনেক এলাকা বিজয়!

0
464

ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের জানবায তালেবান মুজাহিদগণ গত ৩১শে আগস্ট ভোর রাত ৩টায় আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় কুন্দুজের প্রাদেশিক রাজধানীকে চারদিক থেকে অবরুদ্ধ করার মাধ্যমে ব্যাপক অভিযান চালানো শুরু করেন।

ভোরের আলো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার আগেই তালেবান মুজাহিদগণ মুল শহরের উপকণ্ঠে এসে পৌঁছেযান। যার ফলে পুরো শহর জুড়ে আফগান মুরতাদ বাহিনীর সাথে তালেবান মুজাহিদদের যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে।

অতঃপর দীর্ঘ কয়েক ঘন্টা যুদ্ধের মাধ্যমে মুজাহিদগণ কুন্দুজের প্রদেশীক রাজধানীর ২টি সামরিক ঘাঁটি, ১টি থানা, ৩৫টি চেকপোস্টসহ ৭টিরও অধিক এলাকা বিজয় করতে সক্ষম হন।

এসময় মুজাহিদদের হামলায় আফগান মুরতাদ বাহিনীর ৪৩ এরও অধিক সেনা ও পুলিশ সদস্য হতাহত হয়, কমান্ডারসহ মুজাহিদদের হাতে বন্দী হয় আরো ১৫ সেনা। মুজাহিদগণ ১১টি গাড়ি, রেঞ্জার, হ্যাম্বি ও ট্যাংকসহ বিপুল পরিমাণ যুদ্ধাস্ত্র গনিমত লাভ করেন। এছাড়াও মুজাহিদদের হামলায় মুরতাদ বাহিনীর অনেক সামরিকযান ও যুদ্ধাস্ত্র ধ্বংস ও পুড়ে যায়।

অতঃপর অভিযানের শেষ মহুর্তে অর্থাৎ আসরের সময় ইসলামিক আমিরাতের শহীদ ব্যাটালিয়নের অন্যতম একজন খোদা ভীরু তালেবান বীর মুজাহিদ শহরের সেন্টালে আফগান বাহিনীর অভিযান পরিকল্পনার জন্য ক্লায়েন্ট আর্মির কমান্ডোদের একত্রিত হওয়ার সময় শহরের প্রধান চৌরাস্তায় একটি শহীদ (ফিদায়ী) আক্রমণ চালান।

উক্ত ইস্তেশহাদী মুজাহিদের বীরত্বপূর্ণ অপারেশনের ফলে ২৫ পুতুল সেনা নিহত ও আহত হয়, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল পুতুল সেনা কমান্ডো।
যেই কমান্ডোদেরকে মাত্র বৃহস্পতিবার কাবুল থেকে কুন্দুজে বিমান যোগে আনা হয়েছিল। হতাহতদের মধ্যে কুন্দুজের পুলিশ প্রধান “মনজুর স্টানকজী” তার প্রধান সহকারী ও কুন্দুজের পুলিশ প্রধান মুখপাত্র “সারওয়ার”ও ছিল।

এদিকে কুন্দুজ অভিযানের উদ্দেশ্য কেন্দ্রকে নিয়ন্ত্রণ করা ছিল না, বরং মূল লক্ষ্য ছিল কুন্দুজ শহরের উপকণ্ঠ থেকে মুরতাদ বাহিনীর সমস্ত পোস্ট এবং চেকপয়েন্টগুলি সরিয়ে নেওয়া, শত্রু বাহিনীকে হতাহত করা, মালামাল ক্ষতিগ্রস্থ করা এবং শত্রু বাহিনী হতে মুজাহিদদের প্রয়োজনীয় গাড়ি, অস্ত্র, যুদ্ধসামগ্রী ও সরঞ্জামাদি গনিমত লাভ করা, আর তালেবান মুজাহিদগণ তাদের এই লক্ষ্যে পরিপূর্ণভাবে সফলও হয়েছেন।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন