মুসলিম সন্দেহে এবার এক ঠাকুরকেই হত্যা করলো উগ্র মালাউন হিন্দু সন্ত্রাসীরা।

2
428

উগ্র ভারতীয় মালাউন হিন্দু সন্ত্রাসীদের হাতে নির্যাতিত হয়ে আসছেন উপমহাদেশের মুসলিমরা, বেড়ে চলেছে গেরুয়া সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত মুসলিমদের সংখ্যা। কিন্তু, এবার ভারতের রাজধানী দিল্লিতে হিন্দুদের গণপিটুনির শিকার হলো এক যুবক ঠাকুর! সাহিল সিং নামে ২৩ বছরের এক যুবক ঠাকুরকে মুসলিম সন্দেহে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়।

দিল্লির মৌজপুর অঞ্চলের পণ্ডিতদের জন্য নির্ধারিত রাস্তায় ২৩ বছরের হিন্দু যুবক “সাহিল সিংকে” হাঁটতে দেখে অন্য মালাউন হিন্দু পণ্ডিতরা। চন্দ্রভান নামক এক উগ্র মালাউন হিন্দু পণ্ডিত তার পথরোধ করে বলে এটা আমাদের চলাচলের রাস্তা। আর তখনই সে তাকে মারতে শুরু করে। এসময় উগ্র হিন্দু পণ্ডিত চন্দ্রভানের ছেলেরাসহ অন্যান্য উগ্র হিন্দু পণ্ডিত ও তাদের সন্ত্রাসী ছেলেরাও লাঠি দিয়ে আঘাত করতে থাকে।
গণপিটুনির সময় সাহিল তাদের কাছে বাঁচার আকুতি করে। কিন্তু উগ্র মালাউনরা তাকে মুসলিম ভেবে কেউ তার কথা শোনেনি।
তারা তাকে মুসলিম ভেবে বেধড়ক মারধর করতে থাকে। ফলে ভারতীয় মালাউন হিন্দু পণ্ডিতদের গণপিটুনিতেই মারা যায় তাদেরই স্বজাতীয় আরেক ঠাকুর “সাহিল সিং”।

ঠাকুর নামক মালাউন উগ্র হিন্দু পণ্ডিতরা সাহিলকে হত্যার পর এ ভেবে আনন্দ প্রকাশ করছিল যে, “আমরা একজন মুসলিমকে হত্যা করতে পেরেছি, আজ আমরা একজন মুসলিমকে হত্যা করতে পেরেছি ।’’

পরে যখন জানতে পারলো যে, এই যুবক তাদেরই এক ঠাকুরের ছেলে এবং সে নিজেও ঠাকুর তখন তারা হতভম্ব হয়ে যায়।

সম্প্রতি সময়ে পুরো ভারতজুড়ে চলছে ভারতীয় উগ্র মালাউন হিন্দু সন্ত্রাসীদের হাতে মুসলিম নির্যাতন। যার ফলশ্রুতিতে মুসলিম সন্দেহে ঘটে এ ঘটনা। যে ঘটনায় মুসলিম সন্দেহে নিজ ধর্মের ঠাকুরকেও এরা নির্মমভাবে হত্যা করতে কুন্ঠাবোধ করেনি। এভাবে কেবলই সন্দেহের উপর ভিত্তি করে সন্ত্রাসী উগ্র হিন্দুরা বহু মুসলিমকেও হত্যা করেছে।

2 মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন