হাত বাড়ালেই মাদক, ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনগণ

0
167

সমগ্র দেশই আজ মাদকের সয়লাবে। তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যত নষ্ট হবার অনেক কারণ এই মাদক।
সুরমা আর কুশিয়ারা এই ২ নদীর বেষ্টনীতে সিলেটের সীমান্তবর্তী জকিগঞ্জ উপজেলা। ওপারে ভারতের করিমগঞ্জ জেলা। সীমান্তবর্তী এই উপজেলা যেন মাদকের এক পাইকারি হাট। হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইনসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য।

ভারত থেকে যেভাবে মাদক নিয়ে আসছে চোরাকারবারিরা, তাতে মনে হয় মাদক আমদানির লাইসেন্স পেয়েছে তারা। পাইকারি মূল্যের এই মাদক ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে দেশের আনাচে কানাচে। তবে প্রশাসন বারবার বড় বড় মাদকের চালান আটক করলেও এর সাথে জড়িত মূল হোতারা রয়েছে ধরা-ছোয়ার বাইরে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাদককারবারিরা সীমান্তের কয়েকটি নিরাপদ রুট হিসেবে বেছে নিয়েছে। এসব রুট দিয়ে ভারত থেকে তারা নিয়ে আসছে মাদকের বড় বড় চালান। উপজেলার খলাছরা ইউনিয়নের লোহারমহল, সুলতানপুরের ইছাপুর, সহিদাবাদ ও ভক্তিপুর, বারঠাকুরি ইউনিয়নের সালেহপুর, লাড়িগ্রাম, জকিগঞ্জ ইউনিয়নের সেনাপতির চক, মানিকপুর ও ছবড়িয়া, কসকনকপুরের বলরামের চক ও উত্তর আইওর (মনতলা) সহ বিভিন্ন এলাকা দিয়ে ভারত থেকে আসছে মাদকের এসব চালান। সীমান্তের ২ কিলোমিটার অন্তর অন্তর রয়েছে বিজিবির ক্যাম্প। তাদের চোখকে কীভাবে ফাঁকি দিয়ে আসে এসব মাদকের চালান তা খতিয়ে দেখার দাবি সাধারণ জনগণের।

জানা গেছে, এসব মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত পর্দার আড়ালে থাকা পয়সাওয়ালারা। তারা মাদকের পিছনে টাকার যোগান দেয়। ১ লাখ টাকার যোগান দিলে ২ চালান পরে আদায় করে বড় অংকের টাকা। মূলত এই যোগান দাতাদের ধরতে পারলে বন্ধ হতে পারে জকিগঞ্জের মাদকের এই নিরাপদ রুট।

মাদক কারবারিদের বড় বড় হোতা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে। গ্রেফতার করা হয়েছে চুনো–পুঁটিদের। আর এসকল কারনেই স্থানীয় জনগণের মধ্যে রয়েছে সীমাহীন ক্ষোভ।

সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন