নাইন ইলেভেনের ১৮তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বার্তা প্রদান করেছেন আল-কায়েদার আমীর!

2
1256

নাইন ইলেভেনের ১৮তম  বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে “তারা (কাফিররা) সর্বদাই তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকবে” শিরোনামে আজ নতুন এক ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন আল-কায়েদার সম্মানিত আমীর শায়খ আইমান আল-যাওয়াহিরি হাফিজাহুল্লাহ্।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর এক বরকতময়ী হামলার মাধ্যমে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় ক্রুসেডারদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার টুইন টাওয়ার, আঘাত হানা হয় পেন্টাগনে, আঘাত হানা হয় কংগ্রেস ও হোয়াইট হাউজে। উক্ত বরকতময়ী হামলায় অংশগ্রহণ করেছিলেন ১৯ জন জানবায মুজাহিদ, যাদের মাঝে কয়েকজন ছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বংশধর।

বিশ্বের ইতিহাসে এই দিনটি বিশেষভাবে স্মরণীয়। এই হামলার পর যুদ্ধের ময়দানগুলোতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয়।

আজ আল-কায়েদার কেন্দ্রীয় অফিসিয়াল প্রচারমাধ্যম আস-সাহাব মিডিয়া থেকে “তারা (কাফিররা) সর্বদাই তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকবে” শিরোনামে শায়খ আইমান আল-জাওয়াহিরী হাফিজাহুল্লাহ এর নয়াবার্তা প্রকাশিত হয়েছে।

বার্তাটিতে তিনি ফিলিস্তিনী মুসলিম ও মুজাহিদগণের ব্যাপারে বিশেষ কিছু দিকনির্দেশনা দেন। আর, সমগ্র বিশ্বের মুসলিমদের প্রতি কাফেরদের নেতৃত্বদানকারী রাষ্ট্রসমূহের স্বার্থে আঘাত হানার কথা বলেন। তিনি বলেন, আমেরিকা, ন্যাটো বাহিনী, ব্রিটিশ, ফ্রান্সের মত ক্রুসেডার বাহিনীগুলো আজ সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে বিশেষ করে মুসলিমদের দেশে। কাশ্মীরে হিন্দু ভারতীয় সেনারা দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে। এমন অবস্থায় মুসলিমদের উচিত এক উম্মাহর কথা স্মরণ রেখে ক্রুসেডার বাহিনীর উপর ঝাঁপিয়ে পড়া। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নির্যাতিত লাখো কোটি মুসলিমের রক্তের বদলা নিতে এসকল ক্রুসেডার বাহিনীর উপর হামলা করা।

তিনি ফিলিস্তিনী মুসলিমদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের অবশ্যই যুদ্ধের প্রকৃতি বুঝতে হবে। এটি মুসলিমদের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক ক্রুসেড যুদ্ধ। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক যুদ্ধের মাঝে পার্থক্যসূচিত কোন সীমারেখা নেই।  আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া, উপসাগরীয় দেশসমূহ, আরব উপদ্বীপ এবং পূর্ব আফ্রিকা যে আমেরিকা দখল করেছে, সেই আমেরিকাই ইহুদীদেরকে সাহায্য করে, পাকিস্তানের ঘোষখোর জেনারেলদের পেছনে কলকাঠি নাড়ে, তুরস্কের সামরিক ঘাঁটিগুলোর অধিকার লাভ করে এবং সিসি ও হাফতারের কল্যাণে হাত বাড়ায়!

সব জায়গায় তো সেই একই শত্রু! একই যুদ্ধ। সুতরাং, মুসলিমদেরকেও এক দেহের ন্যায় হয়ে লড়তে হবে, এমনটাই বুঝাতে চেয়েছেন শায়খ আইমান আল-জাওয়াহিরী হাফিজাহুল্লাহ। বার্তাটির শেষের দিকে তিনি আফগানিস্তানে আমেরিকার উপর ইসলামী ইমারতের বিজয় এবং আমেরিকার ধূর্ততার বিষয় নিয়েও সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেছেন।

 

2 মন্তব্যসমূহ

Leave a Reply to হাসান প্রতিউত্তর বাতিল করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন