গর্ভবতীসহ ৩ মুসলিম বোনকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করেছে ভারতীয় মালাউন পুলিশ বাহিনী, এক বোনের গর্ভপাত!

0
570

ভারতের আসাম রাজ্যের দারাং জেলায় হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী পুলিশ বাহিনী এক মুসলিম নারী এবং তাঁর দুই বোনকে অপহরণ করে নিয়ে পুলিশ স্টেশনের ভেতরে আটকে রেখে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করেছে। এসময় সন্ত্রাসী হিন্দুত্ববাদী পুলিশদের নির্যাতনে গর্ভবতী মুসলিম নারীর রক্তক্ষরণ হয়ে গর্ভপাতের ঘটনা ঘটেছে।

এভাবে, নিষ্ঠুরতার সকল সীমা ছাড়িয়ে প্রতিনিয়ত ভারতীয় মুসলিমদেরকে নির্যাতন করা হচ্ছে। মুসলিম নারীদের উপর হিন্দু সন্ত্রাসীদের হিংস্র নজর আগে থেকেই ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এখন নির্মম এক নির্যাতনের শিকার হলেন ভারতের আসাম রাজ্যের একই মুসলিম পরিবারের ৩ বোন!

সিপাঝর থানায় দায়ের করা অভিযোগে তিন বোন বলেন, তাদেরকে থানায় আটকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করা হয়ে। তাদের একজন বলেন, তিনি গর্ভবতী ছিলেন এবং নির্যাতনের কারণে তার গর্ভপাত হয়।

একটি অসমীয় নিউজ চ্যানেলকে ওই তিন মুসলিম নারীর দেওয়া সাক্ষাৎকারের পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

অভিযোগ দায়েরকারী এক ভুক্তভোগী বলেন, গত ৯ সেপ্টেম্বর গুয়াহাটির সাতগাঁও এলাকায় নিজ বাসা থেকে স্বামী এবং দুই বোনসহ তাকে পুলিশ সদস্যরা তুলে নিয়ে দারাং জেলার বুরহা পুলিশ ফাঁড়িতে রাখে।

দারাং পুলিশ সুপার অমৃত ভূঁইয়ার কাছে পৃথক এক অভিযোগে ২৮ বছর বয়সী ওই গৃহবধূ বলেন, গত ১০ সেপ্টেম্বর তিনি, তার স্বামী ও দুই বোনকে বিবস্ত্র করে পেটায় ভারতীয় মালাউন বাহিনীর দুই পুলিশ কর্মকর্তা- ফাঁড়ির ইনচার্জ মাহেন্দ্র শর্মা এবং নারী কনস্টেবল বিনিতা বোরো।

তারা বলেন, বন্দুকের মুখে ফাঁড়ির ইনচার্জ মহেন্দ্র শর্মা তাদের নির্যাতন করে। এমনকি গর্ভবতী নারীকেও নির্যাতন থেকে রেহাই দেয়নি মালাউন নরপশু পুলিশ কর্মকর্তা।

এদিকে এই ঘটনার একদিন পরেই তিন বোনের অন্যতম মিনুয়ারা বেগম দরং জেলার এসপির কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। মিনুয়ারার অভিযোগ, এখনও উগ্র মালাউন পুলিশ এফআইআর করেনি। উল্টে মিনুয়ারা বেগম-কে অভিযোগ তুলে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে ওই ওসি।

সূত্র: আসাম টাইমস, আনন্দবাজার পত্রিকা, দ্য কগনেট।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন