আসামে সন্ত্রাসী মালাউন পুলিশি অত্যাচারে মুসলিম মহিলার গর্ভের বাচ্চা নষ্ট

0
289

 

ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি–‌র হাতে আসামে সংখ্যালঘু মুসলমারাই শুধু নন, মুসলিম মায়দের গর্ভে থাকা সন্তানরাও নিরাপদ নয়। সপ্তাহখানেক আগে সন্ত্রাসী পুলিশি অত্যাচারে এক মুসলিম মহিলার গর্ভের বাচ্চা নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু বিজেপি এমপি শিলাদিত্য দেব প্রকাশ্যেই প্রশংসা করেছে সেই গর্ভের বাচ্চা হত্যাকারী সন্ত্রাসী পুলিশকর্মীর। শুক্রবার আসামে ফের আরও এক মুসলিম মহিলার পুলিশি জুলুমে গর্ভপাত হয়েছে । বিজেপি নেতাদের উৎসাহেই পুলিশ আরও বেশি হিংস্র হয়ে উঠছে।

আসামের বরপেটা জেলার আমগুড়ি থানার খুদুনাবাড়ি গ্রাম থাকেন রুকেয়া খাতুন (২৫)। শুক্রবার রাতে পুলিশ আসে তাঁর বাড়িতে। দরজা বন্ধ করে বাড়ির অন্যদের সঙ্গে তিনি ঘুমোচ্ছিলেন। দরজা খুলতে দেরি হওয়ার ‘অপরাধ’–এ পুলিশ ঘরে ঢুকেই অকথ্য অত্যাচার শুরু করে। বাদ যাননি ২ মাসের গর্ভবতী রুকেয়াও। শুরু হয় রক্তপাত। তারপরও পুলিশের অত্যাচার থামেনি। রুকেয়াদের ‘অপরাধ’, তাঁর ভাই শহিদুল বিয়ে করেছেন জয়নাব খাতুনকে। জয়নাবের বাড়ির লোকের অমতে। তাঁরা পুলিশে অভিযোগ জানায়। তারপরই শুরু হয় পুলিশি অত্যাচার।

সম্প্রতি অসমেরই দরং জেলার বুরহায় আরেক গর্ভবতী সংখ্যালঘু মুসলিম মহিলাও পুলিশি বর্বরতার শিকার হয়েছিলেন। তাঁরও গর্ভপাত হয়ে যায়। তাঁর ভাই একই গ্রামের এক সাবালিকা হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করেছিল। সেই ‘অপরাধ’–এ গর্ভবতী ওই মহিলা–‌সহ সেই যুবকের তিন বোনের ওপর চলে অত্যাচার। গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়তে রাজ্য পুলিশ অভিযুক্ত ওসি মহেন্দ্র শর্মা এবং পুলিশ কনস্টেবল বিনীতা বোড়োকে বরখাস্ত করে।

কিন্তু ওই ঘটনার পরই বিজেপি বিধায়ক শিলাদিত্য অভিযুক্ত পুলিশকর্মীদের হয়ে সাফাই গাইতে শুরু করে।

ঘটনা প্রসঙ্গে মহিলা কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভানেত্রী তথা আসামের শিলচরের প্রাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দেব মন্তব্য করেছে, ‘বিজেপি নেতাদের কথাতেই পুলিশ সংখ্যালঘুদের ওপর আরও বেশি করে হিংস্র হয়ে উঠছে।’

সূত্র : আজকাল

 

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন