ভারতীয় মালাউন সীমান্তসন্ত্রাসী বিএসএফের গুলিতে মুসলিম রাখাল নিহত

0
216

চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাসুদপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে জোহরুল ইসলাম (৩০) নামে এক বাংলাদেশি  রাখাল নিহত হয়েছেন। নিহত জোহরুল ইসলাম শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের তারাপুর ঠুটাপাড়া গ্রামের আবদুল কাদিরের ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জোহরুল ইসলামসহ কয়েকজন বাংলাদেশি রাখাল গরু আনার জন্য রাত ৩টার দিকে মাসুদপুর সীমান্তে যায়। এ সময় ভারতের শোভাপুর ক্যাম্পের বিএসএফ সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ করলে জোহরুল ইসলাম নিহত হন। তার সাথীরা জোহরুলের লাশ উদ্ধার করে নিয়ে আসলে পরিবারের লোকজন তার নানীর বাড়ি বালুটুঙ্গি এলাকায় তাকে দাফন করে।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে বিভিন্ন সময় লোকদেখানো  আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও এখনো থামছে না নিরস্ত্র নাগরিক হত্যা।

বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠন অধিকার তাদের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এ বছর জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর এ ন’মাসে বিএসএফের হাতে ২৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন, অপহরণের শিকার হয়েছেন আরও ১৭ জন।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৪,০৯৬ কিলোমিটার (২,৫৪৫ মাইল) দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমানায় চোরাচালান ও বাংলাদেশ থেকে কথিত অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ভারতীয় সীমান্তসন্ত্রাসী বাহিনীর বিতর্কিত শ্যূট-অন-সাইট (দেখামাত্র গুলি) নীতি বহাল আছে, যার প্রেক্ষিতে বিএসএফ সন্ত্রাসীরা অকারণে গুলি করতে পারে।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় গুলি চালনার ঘটনা ছাড়াও বিএসএফ সন্দেহভাজনদের আক্রমণাত্মক ভীতি প্রদর্শন, নিষ্ঠুরভাবে প্রহার এবং নির্যাতন করে থাকে বলে প্রায়ই গণমাধ্যমে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়।

এ প্রসঙ্গে বিশ্লেষকগণ মনে করছেন, ভারতের সাথে এত উদার নীতির নামে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণের সীমান্তে একের পর এক মুসলিমকে হত্যা করে চলেছে ভারতীয় সীমান্তসন্ত্রাসী বিএসএফ। আর ভারতীয় দালাল জনসমর্থনহীন সরকারের পক্ষে জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা রক্ষার চেয়ে নিজেদের গদি রক্ষা করাটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন