ভারতীয় সন্ত্রাসী পুলিশ ফাঁড়ির লকআপে মুসলিম যুবককে পিটিয়ে খুন, পুলিশ ফাঁড়িতে আগুন ধরাল জনতা

0
348

ভারতীয় মালাউন সন্ত্রাসীরা, পুলিশ ফাঁড়ির লকআপে এক মুসলিম যুবককে পিটিয়ে খুন করেছে। মৃতের নাম এনামুল খান (৫০)। তার বাড়ি নিয়ামতপুর গ্রামে। দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সূত্রে জানা যায়, গত  রবিবার মিল্কী পুলিশ ফাঁড়ির সন্ত্রাসী অফিসারেরা সিভিক ভলেন্টিয়ার এবং কনস্টেবলদের নিয়ে নিয়ামতপুর এলাকা থেকে মুসলিম যুবক  এনামুল খান নামে এক ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে যায়।  এরপরই পুলিশ ফাঁড়িতে এনামুল খানের উপর অধিক টর্চারে মৃত্যু হয়। আর এই ঘটনায় পরিবারের লোকেরা এনামুল খানকে পুলিশ ফাঁড়ির লকআপে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

মৃতের এক ভাই জলিল খান বলেন,  ‘জুয়া খেলার মিথ্যা  অভিযোগে দাদাকে মিল্কী পুলিশ ফাঁড়ির অফিসারেরা ধরে নিয়ে গেয়েছিল। সুস্থ ,স্বাভাবিক অবস্থায় দাদা গিয়েছিল। হঠাৎ করে তার কি করে মৃত্যু হতে পারে তা ভেবে পাচ্ছি না । পুলিশ বলছে দাদা নাকি অসুস্থ ছিল । যদি অসুস্থই হতো তাহলে ফাড়ি সংলগ্ন মিল্কি গ্রামীণ হাসপাতাল রয়েছে সেখানে কেন তাকে ভর্তি করা হলো না।  বরঞ্চ দাদার মৃতদেহ ফেলে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে কর্মীরা উধাও হয়ে যায়। তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন পরিবারের লোকেরা। পুলিশ দাদাকে লকআপে  পিটিয়ে খুন করেছে। এই ঘটনার পর পরিবারের লোকেরা গিয়ে ফাঁড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখায়। কিন্তু কেউ পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর চালায় নি। পুলিশের ওপর হামলাও করে নি । কারা পুলিশ ফাঁড়িতে আগুন দিল এবং ভাঙচুর করল তা বলতে পারব না।’

প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে ফুলবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বাবুল শেখ বলেন, ‘এনায়েতপুর এলাকায় রবিবার রাতে তিনটি পুলিশের ভ্যান জুয়া খেলার ঠেকগুলোতে অভিযানের নামে পুলিশ  এনামুলকে ধরে নিয়ে যায়। ধরেই পুলিশ তাঁকে প্রচুর মারধর করে। পরে জানতে পারি পুলিশ ফাঁড়িতে এনামুলের মৃত্যু হয়েছে। যখন আমরা যাই দেখি ফাঁড়িতে কোন পুলিশ নেই । এনামুলের দেহ পুলিশ ফাঁড়ির একটি বেঞ্চের উপর রাখা রয়েছে। পরিবারের লোকেরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তারপরে এই ভাঙচুর এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।’

 

লকআপে এক বন্দীকে পিটিয়ে মারার অভিযোগে ক্ষুব্ধ মৃতের পরিবার ও গ্রামবাসীদের একাংশ পুলিশ ফাঁড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের তিনটি গাড়ি।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন