কথিত বড় ভাইয়ের নির্দেশে হত্যা করা হয় প্রতিবাদী দেশপ্রেমিক আবরারকে

1
324

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দেশপ্রেমিক মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ রাব্বীকে তার রুম থেকে ডেকে আনার নির্দেশ দেয় বুয়েটের পাঁচ সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ নেতা। আর এর নেতৃত্বে ছিল হিন্দু সন্ত্রাসী অমিত সাহা।

আবরারকে যখন তার রুম থেকে ডেকে ২০১১ নম্বর কক্ষে নেয়া হয় তখন সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের আরও কয়েকজন ছিল। তাদের নিষ্ঠুর পাশবিক নির্যাতনের কারণেই আবরারের মৃত্যু হয়।

কালের কন্ঠের বরাতে জানা গেছে গত ৬ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরারকে শেরে বাংলা হলের তার রুম (নম্বর ১০১১) থেকে হত্যার উদ্দেশ্যে ডেকে নিয়ে যায়। ৭ অক্টোবর রাত আড়াইটা পর্যন্ত ওই হলের ২০১১ ও ২০০৫ নম্বর রুমে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ক্রিকেট স্টাম্প ও লাঠিসোটা এবং রশি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নির্মম নির্যাতন চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আবরার মারা যায়।

পরে আসামিরা ওই ভবনের দ্বিতীয় তলার সিঁড়িতে আবরারের মৃতদেহ ফেলে রাখে। কিছু ছাত্র আবরারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তদন্তকালে সাক্ষ্য-প্রমাণে, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ ও পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য-প্রমাণে সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের অংশগ্রহণ পাওয়া গেছে।

সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের এক সদস্য নাজমুস সাদাত বলেছে, আমি আবরারকে ডেকে নিয়ে আসি। কয়েকজন বড়ভাই আমাদের ডেকে আনতে বলেন। অপর এক প্রশ্নের জবাবে সাদাত বলে, মারধরের এক পর্যায়ে আবরার পানি খেতে চায়।

সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের আসামিরা আবরারকে মুখে কাপড় দিয়ে মেরেছে। পানি পর্যন্ত খেতে দেয়নি। সঠিক সময়ে ডাক্তারও দেখায়নি। এমনকি পুলিশও ঢুকতে দেয়নি ভারতের দালাল এই আসামিরা।

১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন