আপেলে মুজাহিদদের নাম লিখে কাশ্মীরি ব্যবসায়ীদের একাত্মতা প্রকাশ, গো-পূজারীদের প্রতি তিরস্কার

2
512

সন্ত্রাসী মোদির দেশ ভারতের আগ্রাসনের পর, কাশ্মীরে ঘটে গেল এক চমকপ্রদ ঘটনা। মালাউন ভারত সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরুপ কাশ্মীরের ব্যবসায়ীরা শরীয়া বাস্তবায়নের জন্য যুদ্ধরত মুজাহিদগণের পক্ষে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আপেল ব্যবসায়ীরা আপেলে মুজাহিদগণের নাম লিখে এবং বিভিন্ন লেখা লিখে এ প্রতিবাদ জানান।

জম্মু ও কাশ্মীরের আপেল বিক্রেতারা কাশ্মীরের বিভিন্ন জেলার আপেল চাষী ও আপেলের পাইকারি ব‌্যবসায়ীদের কাছ থেকে আপেল কেনেন। সেই আপেল তাঁরা কেজি দরে বিক্রি করেন জম্মু, পাঞ্জাব, দিল্লি, হরিয়ানায়। সেই আপেলগুলি সবচেয়ে বেশি কেনে কাশ্মীর ঘুরতে যাওয়া পর্যটকরা। এবার সেই অপেলকেই প্রতিবাদের অভিনব উপায় হিসেবে অবলম্বন করে ব্যবসায়ীরা তাদের মনের কথা প্রকাশ করেছেন। আর একাত্মতা প্রকাশ করেছেন আল কায়েদা কাশ্মীর শাখা আনসার গাজওয়াতুল হিন্দের মুজাহিদগণের সাথেও।

সংবাদ প্রতিদিন নামে একটি অনলাইন বার্তা সংস্থার বরাতে জানা যায়, গত তিন-চার দিন ধরে দেখা গেছে, আপেলের বাক্স বা পেটি খুললেই তাতে নীল বা কালো রংয়ের পেন দিয়ে লেখা রয়েছে, ‘আজাদি চাই’, ‘আমি বুরহান ওয়ানিকে ভালবাসি’, ‘জাকির মুসা কাম ব্যাক’, ‘হিন্দুস্থান মুর্দাবাদ’, ‘ভারতীয় সেনা দূর হটো’-র মতো নানা প্রতিবাদী স্লোগান। কোন পেটিতে বা কোন বাক্সে এসব লেখা আছে তা বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই। এই কথাগুলো কোথাও খোদাই করা রয়েছে। কোথাও স্টিকার হিসাবে সেলোটেপ দিয়ে এঁটে দেওয়া হয়েছে।

কাঠুয়ার পাইকারি বাজারের সভাপতি রোহিত গুপ্তা জানিয়েছে, যে সব বাক্সের আপেলে ওই সব লেখা ছিল, সেগুলো কাশ্মীর থেকে এসেছে। কথাগুলি লেখা ছিল ইংরেজি ও উর্দুতে।

শরিয়াহ বাস্তবায়নের লক্ষে যুদ্ধরত আল-কায়েদার কাশ্মীর শাখা আনসার গাজওয়াতুল হিন্দের প্রতিষ্ঠাতা কমান্ডার জাকির মুসা রহিমাহুল্লাহ এর নামও রয়েছে ঐসকল আপেলগুলোতে। আপেলে নাম থাকা বুরহান ওয়ানি রহিমাহুল্লাহও ছিলেন এক স্বাধীনচেতা কাশ্মীরি মুজাহিদ, ইসলামী শরীয়াত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তিনি লড়াই করেছিলেন দখলদার হিন্দু সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। আল-কায়েদাপন্থী এ দু’জন কাশ্মীরি নেতা উপমহাদেশে বেশ জনপ্রিয়।

2 মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন