টানা ৩ মাস কাশ্মীরের ঐতিহাসিক জামিয়া মসজিদে জুমা নামাজ বন্ধ রেখেছে গোপূজারি মোদি সরকার

0
196

ভারতের কেন্দ্রীয় মুশরিক সরকার গত ৫ আগস্ট জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নেয়ার পরে সেখানে কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর থাকায় শ্রীনগরের ঐতিহাসিক জামিয়া মসজিদে শুক্রবার (১ নভেম্বর) জুমা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়নি। এ নিয়ে একটানা ১২তম শুক্রবার সেখানে জুমার নামাজ হয়নি। খবরঃ ইনসাফ২৪

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) জম্মু-কাশ্মীরকে অন্যায়ভাবে প্রদেশে পরিণত করার চেষ্টার অংশ হিসেবে সেখানে নয়া আইন কার্যকর হয়েছে। বিগত জুমাবারের ন্যায় শুক্রবারও দখলদার প্রশাসন ঐতিহাসিক জামিয়া মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের অনুমতি দেয়নি।

এ প্রসঙ্গে শুক্রবার ‘অল ইন্ডিয়া সুন্নাত অল জামায়াত’- এর সাধারণ সম্পাদক মুফতি আব্দুল মাতীন বলেন, কাশ্মীর পরিস্থিতি সামাল দিতে মুশরিক মোদি সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। কাশ্মীরের বড় বড় জামে মসজিদগুলোতে পর পর ১২ সপ্তাহ (৩ মাস) বা বারোটা জুমা নামাজ হয়নি। অথচ তারা বলছে যে, কাশ্মীরে শান্তি ফিরছে! এটা অত্যন্ত ব্যর্থতা তাদের। তারা কাশ্মীরে শান্তি ফেরাতে ব্যর্থ হয়েছে। আগামী জুমায় যাতে সেখানকার বড় বড় জামে মসজিদগুলোতে মুসুল্লিরা জুমা নামাজ পড়তে পারে দখলদার মুশরিক সরকার তার ব্যবস্থা করুক।

কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল করা প্রসঙ্গে মুফতি আব্দুল মাতীন আরও বলেন, ৩৭০ ধারা যেটা তুলে দিয়েছে সন্ত্রাসী দখলদার সরকার, আমি বলব এটা কাশ্মীরের জনগণের সঙ্গে মোদি সরকার ‘চরম বিশ্বাসঘাতকতা’ করেছে। অবিলম্বে যাতে কাশ্মীরে শান্তি ফেরে, সেখানকার মানুষ আজও মোবাইল-ইন্টারনেট পরিসেবা পাচ্ছে না। সুতরাং, দেশ থেকে সেটাকে বিচ্ছিন্ন করে রেখে দেয়াটা চরম অমানবিক।

শুক্রবার (০১ নভেম্বর)) সহিংস বিক্ষোভের আশঙ্কায় শ্রীনগরের ঐতিহাসিক জামিয়া মসজিদসহ অন্য বড় মসজিদে নামাজ পড়তে সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এর পাশাপাশি কাশ্মির উপত্যকায় স্পর্শকাতর এলাকায় আংশিক বিধিনিষেধের মধ্যে দখলদারদের অতিরিক্ত কথিত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন