বাংলাদেশ সীমান্তে ভারত কর্তৃক ইসরাইলি ড্রোন, থার্মাল ইমেজার মোতায়েন!

0
382

 

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ধুবরি সেক্টরে নজরদারী করতে  ভারতের সীমান্ত সন্ত্রাসী বাহিনী (বিএসএফ) আক্ষরিক অর্থেই গোপন অবস্থানে চলে গেছে। তারা আকাশেও চোখ রাখছে।

দি হিন্দু সূত্রে জানা যায়, মেঘালয় থেকে পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার পর্যন্ত বিস্তৃত ধুবরি সেক্টরের জন্য বিএসএফ অনির্দিষ্ট সংখ্যক ইসরাইলি টেথার ড্রোন কিনেছে। এসব ড্রোনের প্রতিটির দাম ৩৭ লাখ রুপি। এগুলোতে রয়েছে দিবা-রাত্রি ভিশন ক্যামেরা। এগুলো দুই কিলোমিটার দূর থেকেও ছবি ধারণ করতে পারে।

বাংলাদেশের সাথে আসাম, মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গ – এই ৫ ভারতীয় রাজ্যের রয়েছে ৪,০৯৬ কিলোমিটার সীমান্ত। আর আসামের ২৬৩ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ১১৯.১ কিলোমিটার হলো নদী।

বিএসএফের গৌহাটি ফ্রন্টিয়ারের মহাপরিদর্শক পিযুস মর্দিয়া দি হিন্দুকে বলেছে, চোরাচালান হয় সাধারণত রাতে। অন্ধকার স্থানগুলোতে নজরদারি করা কঠিন। কিন্তু এসব ড্রোনে থাকা ক্যামেরাগুলো সর্বোচ্চ ১৫০ মিটার উঁচু থেকে আমাদের সার্বক্ষণিক ছবি দিয়ে আমাদের দৈহিক ও জৈবিক সীমাবদ্ধতা দূর করবে।

সাধারণ ড্রোন ও টেথার ড্রোনের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। সাধারণ ড্রোনে ৩০ মিনিট উড্ডয়নের পর এর ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যায়। তাছাড়া এগুলো প্রবল বাতাসে গতিপথ হারিয়ে ফেলে। ধুবরি সেক্টরে প্রায়ই প্রবল বাতাস ও ঝড়ো হাওয়া থাকে। টেথার ড্রোন এসব সমস্যা থেকে মুক্ত।

ড্রোন ছাড়াও বিএসএফ অ-স্পর্শ তাপমাত্রা পরিমাপের যন্ত্র থার্মাল ইমেজারও মোতায়েন করেছে। মানুষ, প্রাণী ও অন্যান্য বস্তুর চলাচল শনাক্ত করার জন্য মাটির নিচে ও পানির নিচেও সেন্সর স্থাপন করা হয়েছে বলে মর্দিয়া জানায়।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন