কাশ্মীর ও বাবরি মসজিদের পর সন্ত্রাসী হিন্দুত্ববাদী বিজেপির নজর পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের ওপর

0
625

অবৈধভাবে ভারত সরকার কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন ও বিশেষ অধিকার বাতিল এবং অযোধ্যায় শহীদ বাবরি মসজিদের জমিতে রাম মন্দির নির্মাণে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রদায়িক রায়ের ফলে ক্ষমতাসীন হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) দুটি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়েছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিশাল জয় পাওয়া নরেন্দ্র মোদির দল আরেকটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দিকে এগুতে শুরু করেছে। এবার তাদের লক্ষ্য কথিত ‘অনুপ্রবেশকারীদের উচ্ছেদ’ করতে নাগরিকত্ব আইনের সংশোধন এবং পশ্চিমবঙ্গে আসামের মতো সাম্প্রদায়িক নাগরিক তালিকা।

নাগরিকত্ব সংশোধন বিল হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকারের একটি বিতর্কিত উদ্যোগ। এতে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সংখ্যালঘু হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের শরণার্থী হিসেবে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে সমালোচকরা এ উদ্যোগকে মুসলিম অভিবাসীদের বিতাড়নের উদ্যোগ বলে অভিহিত করছেন।

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গে মোট জনসংখ্যার ত্রিশ শতাংশ মুসলমান। হিন্দুত্ববাদী বিজেপির এই উদ্যোগকে রাজ্যের ভোটারদের বিভক্ত করার প্রয়াস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। রাজ্যটিতে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে। এই রাজ্যে কখনও ক্ষমতায় না থাকলেও ২০২১ সালে রাজ্যের ক্ষমতায় যেতে চায় দলটি।

সন্ত্রাসী বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাশ বিজয়াবারগিয়া বলেছে, আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তা বাস্তবায়ন করেছি। কাশ্মীর হয়েছে, বাবরি মসজিদের জমিতে রাম মন্দিরও হয়েছে। এবার আমরা নাগরিকত্ব আইন সংশোধন বিল আনবো। দল এখন পশ্চিমবঙ্গে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করছে। রাজ্যের স্বার্থে অবিলম্বে আমাদের নাগরিকত্ব সংশোধন বিল বাস্তবায়ন করা উচিত।

সন্ত্রাসী বিজেপি সভাপতি বলছে, পার্লামেন্টের শীতকালীন অধিবেশনে এই প্রস্তাবিত আইনটি উত্থাপন করা হবে। যদি বিলটি পাস হয় দ্রুতই তা বাস্তবায়ন করা হবে।
সুত্রঃ ইনসাফ২৪

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন