ধর্ষণ এখন মহামারি : প্রতিরোধ নয়, প্রয়োজন প্রতিকার

0
184

দেশে ধর্ষণের ঘটনা এখন মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়ছে। কখনো একজন, আবার কখনো একের বেশি ব্যক্তির হিংস্রতায় এই ঘটনা ঘটছে। কখনো প্রকাশ্যে ঘটছে, আবার কখনো অপ্রকাশ্যে। সরকারি অফিস-আদালত থেকে শুরু করে প্রাইভেট গাড়ি বা পাবলিক বাসেও ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। ভুক্তভোগীর তালিকায় আছেন প্রায় সকল পর্যায়ে নারীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী থেকে শুরু করে গার্মেন্টস কর্মীরাও রেহাই পাচ্ছে না। রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও।

ভোরের ডাকের এক রিপোর্টে জানা যায়, এসব ঘটনা সব সময় প্রকাশ পায় না। মিডিয়ায় আসে না। থেকে যায় অন্তরালেই। ‘ভয়ে’ অনেক ভুক্তভোগী চুপসে যান। কখনো ধর্ষকদের হুমকিতেও অনেকে ভীত থাকেন। অযথা হয়রানির আশঙ্কায় কেউ কেউ থানায়ও যান না। আবার কোথাও কোথাও সমাজপতিরা তা চেপে রাখেন। এর বাইরে যেসব ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়, তার চূড়ান্ত বিচার কয়টিতে হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। অভিযোগ আছে বিচারে প্রভাব বিস্তার করারও। তাই এসব ঘটনা প্রতিকারে যেমন কোনো উদ্যোগ নেই, তেমনি প্রকৃত অপরাধীদের বড় একটি অংশ আইনের ফাঁকফোঁকর দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ আছে।

আইন ও সালিশকেন্দ্র (আসক) নামের একটি বেসরকারি সংগঠন গেল ডিসেম্বরে দেশে নারী নির্যাতনের একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

সেখানে বলা হয়, নারীদের উত্ত্যক্ত করা ও যৌন হয়রানির ঘটনা বেড়েই চলছে। ২০১৯ সালে ২’শ ৫৮ জন নারী যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন ৪৪ পুরুষ। উত্ত্যক্ত হয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন ১৮ নারী। যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে খুন হয়েছেন চার নারীসহ ১৭ জন। ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে শিশু নির্যাতনের ঘটনাও বেড়েছে।

২০১৯-এ শারীরিক নির্যাতন, ধর্ষণ, অপহরণ ও নিখোঁজের পর মোট ৪’শ ৮৭ শিশু নিহত হয়েছে। ২০১৮-তে এ সংখ্যা ছিল ৪১৯। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে এ বছর নিহত হয়েছে ১৮৭ জন।

ধর্ষণের এ সংখ্যা পুরো চিত্র তুলে ধরে না বলেই মনে করি। পত্রিকার প্রতিবেদন ও নিজস্ব অনুসন্ধানের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি হয়েছে। তারপরও যে সংখ্যা পাওয়া গেছে তা ভয়াবহ। ভয়ানক বিষয় হলো, ধর্ষণ বা নিপীড়নের ঘটনার পর সেগুলো আবার ভিডিও করে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। যারা এসব করছে, তারা কোনোভাবেই মনে করছে না যে অন্যায় করছে। অপরাধী বা তাদের আত্মীয়-স্বজন কারও এই বোধ নেই। নারী নিপীড়ন বেড়ে যাওয়ার ঘটনার পেছনে বিচারের দীর্ঘসূত্রতা একটি কারণ বলে মনে করেন অনেকেই।

শে ধর্ষণের ঘটনা এখন মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়ছে। কখনো একজন, আবার কখনো একের বেশি ব্যক্তির হিংস্রতায় এই ঘটনা ঘটছে। কখনো প্রকাশ্যে ঘটছে, আবার কখনো অপ্রকাশ্যে। সরকারি অফিস-আদালত থেকে শুরু করে প্রাইভেট গাড়ি বা পাবলিক বাসেও ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। ভুক্তভোগীর তালিকায় আছেন প্রায় সকল পর্যায়ে নারীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী থেকে শুরু করে গার্মেন্টস কর্মীরাও রেহাই পাচ্ছে না। রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও।

ভোরের ডাকের এক রিপোর্টে জানা যায়, এসব ঘটনা সব সময় প্রকাশ পায় না। মিডিয়ায় আসে না। থেকে যায় অন্তরালেই। ‘ভয়ে’ অনেক ভুক্তভোগী চুপসে যান। কখনো ধর্ষকদের হুমকিতেও অনেকে ভীত থাকেন। অযথা হয়রানির আশঙ্কায় কেউ কেউ থানায়ও যান না। আবার কোথাও কোথাও সমাজপতিরা তা চেপে রাখেন। এর বাইরে যেসব ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়, তার চূড়ান্ত বিচার কয়টিতে হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। অভিযোগ আছে বিচারে প্রভাব বিস্তার করারও। তাই এসব ঘটনা প্রতিকারে যেমন কোনো উদ্যোগ নেই, তেমনি প্রকৃত অপরাধীদের বড় একটি অংশ আইনের ফাঁকফোঁকর দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ আছে।

আইন ও সালিশকেন্দ্র (আসক) নামের একটি বেসরকারি সংগঠন গেল ডিসেম্বরে দেশে নারী নির্যাতনের একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

সেখানে বলা হয়, নারীদের উত্ত্যক্ত করা ও যৌন হয়রানির ঘটনা বেড়েই চলছে। ২০১৯ সালে ২’শ ৫৮ জন নারী যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন ৪৪ পুরুষ। উত্ত্যক্ত হয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন ১৮ নারী। যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে খুন হয়েছেন চার নারীসহ ১৭ জন। ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে শিশু নির্যাতনের ঘটনাও বেড়েছে।

২০১৯-এ শারীরিক নির্যাতন, ধর্ষণ, অপহরণ ও নিখোঁজের পর মোট ৪’শ ৮৭ শিশু নিহত হয়েছে। ২০১৮-তে এ সংখ্যা ছিল ৪১৯। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে এ বছর নিহত হয়েছে ১৮৭ জন।

ধর্ষণের এ সংখ্যা পুরো চিত্র তুলে ধরে না বলেই মনে করি। পত্রিকার প্রতিবেদন ও নিজস্ব অনুসন্ধানের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি হয়েছে। তারপরও যে সংখ্যা পাওয়া গেছে তা ভয়াবহ। ভয়ানক বিষয় হলো, ধর্ষণ বা নিপীড়নের ঘটনার পর সেগুলো আবার ভিডিও করে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। যারা এসব করছে, তারা কোনোভাবেই মনে করছে না যে অন্যায় করছে। অপরাধী বা তাদের আত্মীয়-স্বজন কারও এই বোধ নেই। নারী নিপীড়ন বেড়ে যাওয়ার ঘটনার পেছনে বিচারের দীর্ঘসূত্রতা একটি কারণ বলে মনে করেন অনেকেই।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন