
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি হেলাল মিয়া ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী মো. শাহ আলমের বিরুদ্ধে নিলামে সরকারি বালু বিক্রির ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ওই প্রকৌশলী অবসরে যাওয়ার সময় নিলামের কাগজপত্র দপ্তরে রেখে যায়নি মর্মে এলজিইডি লিখিতভাবে নিশ্চিত করেছেন।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, মাধবপুর উপজেলার এই নদীর পাড় থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত ১ লাখ ঘনফুট সিলিকা বালু স্থানীয় প্রশাসন জব্দ করেছিল। হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ২০২৩ সালের ৩ জানুয়ারি সেই বালু নিলামের জন্য অনুমোদন দেয়। ৯ মার্চ নিলাম কমিটির আহ্বায়ক হয় তৎকালীন মাধবপুর উপজেলার প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. শাহ আলম। বালু ৩টি অংশে বিভক্ত করে নিলামে বিক্রয় করা হয়। মহব্বতপুর বাচ্চু মিয়ার বাড়ি থেকে ইউনুস আলীর বাড়ি পর্যন্ত ৯টি স্তুপ পায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মেসার্স শান্ত এন্টারপ্রাইজ, মঙ্গলপুর মৌজার দশটি স্তুপ পান মেসার্স পারভেজ চৌধুরী এবং জিন্নাত আলীর বাড়ি থেকে নিজামুদ্দিনের বাড়ি পর্যন্ত ৮টি স্তুপ পায় যুবলীগ নেতা হেলাল মিয়া। পরে শান্ত এন্টারপ্রাইজ ও পারভেজ চৌধুরী নিলামের টাকা সরকারি কোষাগরের জমা দিলে ৯ মে কার্যাদেশ প্রাপ্ত হয়। কিন্তু হেলাল মিয়া ২ নং প্যাকেজের ৬৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ১০ শতাংশ আয় করসহ ৮৩ লাখ ১২ হাজার ৫শত টাকার মধ্যে মাত্র ২৩ লাখ টাকা জমা দেয়। বাকি ৬০ লাখ ১২ হাজার ৫ শত টাকা জমা না দিয়ে হেলাল মিয়া ও প্রকৌশলী শাহ আলম যোগসাজস করে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় ধরে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে রাজস্বের টাকা ভাগাভাগি করেছে।
তথ্যসূত্র:
১. সরকারি বালু নিলামের ৬০ লাখ টাকা যুবলীগ নেতার পকেটে
– https://tinyurl.com/5f5ud7b8


