ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে প্রধান আসামির সহযোগী সঞ্জয়-ফয়সালের দায় স্বীকার

0
126

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় প্রধান আসামির সহযোগী সঞ্জয় চিসিম ও মো. ফয়সাল আদালতে দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার মামলায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদকে ভারতে পালাতে সাহায্য করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিল তারা।

দৈনিক আমাদের দেশের বরাতে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালত তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করে। এর আগে তাদের দুইজনকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের জবানবন্দি রেকর্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী জেলার সদর থানাধীন তরুয়া এলাকাস্থ মোল্লাবাড়ির সামনে তরুয়ার বিল থেকে উদ্ধার করে র‌্যাব। এ সময় ফয়সালকে আটক করা হয়। ফয়সাল প্রধান আসামি শ্যুটার ফয়সাল করিম মাসুদের শ্যালকের বন্ধু।

গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলাটি করেন। পরবর্তীতে মামলাটিতে ৩০২ ধারা যুক্ত হয়েছে। এ মামলার এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হল, প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা মোসা. হাসি বেগম, ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, তার বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা ও তার শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্ট-এ কার ব্যবসায়ী মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ফয়সালের সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহযোগিতাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম এবং আত্মগোপনে সহায়তাকারী আমিনুল ইসলাম রাজু। এদের মধ্যে হুমায়ুন, হাসি, সামিয়া, লিমা, সিপু ও রাজু দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। এছড়া রিমান্ড শেষে নুরুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


তথ্যসূত্র:
১। হাদি হত্যা: সঞ্জয় ও ফয়সালের দায় স্বীকার
– https://tinyurl.com/4xvfmhcc

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

পূর্ববর্তী নিবন্ধ২০২৫ সালে ভারতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী বাহিনীর হাতে ৮৪ জন কাশ্মীরি মুসলমান হত্যার শিকার ও ৭৪৮৮ জন আটক
পরবর্তী নিবন্ধবুরকিনায় শত্রু বাহিনীর ৮টি সামরিক অবস্থানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন জেএনআইএম মুজাহিদিনরা