
সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ দেইর-আয-যুর, রাক্কাহ ও হাসাকাহ এবং আলেপ্পোর বেশকিছু অংশ পূর্বে বাসার আল আসাদ সরকার থেকে নিয়ন্ত্রণে নেয় আল-কায়েদা এবং অন্যান্য সিরিয়ান সুন্নি বিদ্রোহী মুজাহিদগণ, তারপর খাওয়ারেজ আইএস পিছন থেকে হামলা করে ছিনিয়ে কথিত খিলাফতের ঘোষণা দেয়, পরবর্তীতে মার্কিনীরা নির্বিচার বিমান হামলা করে আইএস কে হটিয়ে পশ্চিমা সমর্থিত কুর্দি মিলিশিয়া পিকেকে/এসডিএফ সন্ত্রাসীদের হাতে এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেয়। এবং তাদের মাধ্যমে আমেরিকা ও ইসরায়েল ফোরাত নদীর তীরে অবস্থিত তেল এবং গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে লাভবান হতে থাকে।
অবশেষে গত ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট আহমাদ আশ-শারা এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাহিনী, আরব উপজাতীয় গোত্রের স্বেচ্ছাসেবক মুজাহিদ ও উক্ত উঞ্চলে অবস্থিত সুন্নি মুসলিম অধিবাসীদের ব্যাপক যুদ্ধের ফলে কোণঠাসা হয়ে এসডিএফ এবং আমেরিকা অঞ্চলগুলো সিরীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে ছেড়ে দিতে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।
যদিও ছেড়ে দেয়ার প্রাক্কালে হাসাকাহ অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে শতাধিক সাধারণ অধিবাসীকে নির্বিচার গুলি করে হত্যা করে যায় মার্কিন সমর্থিত এসডিএফ এর সন্ত্রাসীরা।
উক্ত অঞ্চলগুলো নিয়ন্ত্রণে নেয়ার পর সিরীয় বাহিনীর সদস্যগণ নারী ও শিশুসহ বহু নির্যাতিত কারাবন্দীকে মুক্ত করেন, এবং তেল ও গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন।
এসময় সিরিয়াবাসীর এই বিজয়ে গাজার মুসলিমদেরও আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা যায়।
তথ্যসূত্র
– https://tinyurl.com/y8b52sde


