
আফগানিস্তানের বিদ্যুৎ খাতে নতুন সম্ভাবনার সূচনা হতে যাচ্ছে। কাবুলসহ কয়েকটি প্রদেশে কয়লাভিত্তিক প্রায় ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জাতীয় বিদ্যুৎ সংস্থা দা আফগানিস্তান ব্রেশনা শেরকতের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হক আখুন্দজাদা হামকার হাফিযাহুল্লাহ সম্প্রতি চীনা বিনিয়োগ কনসোর্টিয়াম আফগান ইউচাং-এর প্রধান লুও ঝংছুনের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বৈঠকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং বিনিয়োগ সহায়তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করা হয়। হামকার হাফিযাহুল্লাহ বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুযোগ ও পরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে এবং বিনিয়োগকারীরা নিশ্চিন্তে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়নে এগিয়ে আসতে পারেন।
বৈঠকে চীনা কনসোর্টিয়ামের প্রধান জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে কাবুলে ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। পরবর্তীতে তাখার প্রদেশে ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের আরেকটি বৃহৎ প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হবে। তিনি প্রকল্পগুলো দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার জন্য কনসোর্টিয়ামের পূর্ণ প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরেন।
এদিকে আব্দুল হক আখুন্দজাদা হামকার হাফিযাহুল্লাহ বলেন, অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ উৎপাদন উৎস সম্প্রসারণে বর্তমান প্রকল্পগুলো অতীতের তুলনায় অনেক বেশি অগ্রগতি অর্জন করবে। তিনি জানান, ইতোমধ্যে একাধিক প্রকল্পে দ্রুতগতিতে কাজ এগিয়ে চলছে, যা সম্পন্ন হলে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ হবে এবং শিল্প ও বাণিজ্যের বিকাশের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আফগানিস্তানের বিদ্যুৎ খাতে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের পথ আরও সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র:
1. Chinese investors pledge 400 Megawatts of coal-fired power generation
– https://tinyurl.com/zk7pyvmn


