
আল ফিরদাউস এর সম্পাদক মুহতারাম ইবরাহীম হাসান হাফিযাহুল্লাহ’র কলাম
আফগানিস্তান একটি সত্যিকারের ইসলামী ইমারাত- যেখানকার শাসনব্যবস্থা সম্পূর্ণ ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক। যে ভূখণ্ডের শাসকদের কুফরের সাথে বিন্দু পরিমাণও আপোষ নেই। আহলে হক উলামায়ে কেরাম ইজমা দিয়ে এটাকে ইসলামী ভূমি হিসেবে মেনে নিয়েছে। এই পবিত্র মাটিতে শরিয়াহর হুকুম চলছে, জিহাদের ফল ভোগ করছে আফগান ভূখণ্ডের মুসলিম উম্মাহ। কিন্তু পাকিস্তান? ওরা কী করছে?
ওরা কুফফারদের সাথে মিলে এই পবিত্র ইমারাহ কে আক্রমণ করছে! তাদের পশ্চিমা প্রভুদের নির্দেশে পাকিস্তানি নাপাক ফৌজ কাবুল, কান্দাহার, খোস্ত, পাকতিয়ায় একের পর এক বোমা মারছে! এটা তো সরাসরি ইসলামী শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুদ্ধ! ইসলামী শরিয়াহ’র বিরুদ্ধে অবস্থান! পাকিস্তান নিজেকে মুসলিম দেশ বলে, কিন্তু তাদের কাজ কুফফার প্রভুদের সন্তুষ্ট করণে মুসলিমদের রক্ত ঝরানো! তারা পবিত্র ইসলামী ভূমির উপর বোমা ফেলে, মুসলিমদের রক্ত ঝরায়।
ইমারাতে ইসলামিয়ার বিরুদ্ধে পাকিস্তান মিডিয়া প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। বলছে ইমারাত ভারতের সাথে হাত মিলিয়েছে! পাকিস্তানি মিডিয়া, তাদের ফৌজ- সবাই মিলে এই মিথ্যা ছড়াচ্ছে যাতে উম্মাহর মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়, ইমারাতের বিরুদ্ধে ঘৃণা জন্মায়! পাকিস্তানের এই মিথ্যা প্রচার তো নিজেদের অপরাধ ঢাকার চেষ্টা মাত্র!
বাস্তবতা তো স্পষ্ট- ইমারাত শরিয়াহ প্রতিষ্ঠা করেছে, জিহাদের মাধ্যমে কুফরকে হটিয়েছে। প্রমাণ তো সবার সামনে! তবুও কিছু মানুষ ধোঁকা খেয়ে পাকিস্তানের পক্ষ নিচ্ছে!
হকের স্পষ্টতা আজ দৃশ্যমান, সত্য প্রকাশ থাকার পরেও যারা পাকিস্তানের পক্ষ নিচ্ছে তারা বুঝবে যখন নিজের ঘর আক্রান্ত হবে। ইমারাতে ইসলামিয়া স্পষ্টতই এই মাজলুম উম্মাহর অভিভাবক। ইমারাতে ইসলামিয়ার মুজাহিদিনদের মাধ্যমেই সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে হকের মিছিল, কেঁপে ভেঙে পড়বে বাতিলের মসনদ বি-ইযনিল্লাহ।
وَقُلْ جَآءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ ؕ اِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوْقًا
আর বল, ‘হক এসেছে এবং বাতিল বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় বাতিল বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল’।
(সূরা: বনী ইসরাঈল- ৮১)


