
কাশ্মীরের নারী সংগঠন দুখতারান-ই-মিল্লাতের প্রধান আসিয়া আন্দ্রাবি ও তার দুই সহযোগীকে তথাকথিত সন্ত্রাসী মামলায় দোষী সাব্যস্ত করেছে হিন্দুত্ববাদী নয়াদিল্লির একটি আদালত। ১৪ জানুয়ারি কঠোর বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন এর অধীনে তাদেরকে অপরাধী সাব্যস্ত করা হয়েছে। আগামী ১৭ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করার কথা রয়েছে।
এর আগে আসিয়া আন্দ্রাবি ও তার দুই সহযোগী ফাহমিদা সোফি ও নাহিদা নাসরিন এর বিরুদ্ধে “রাষ্ট্রদ্রোহ ও ঘৃণামূলক বক্তৃতা” ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছিল। ২০১৮ সালের এপ্রিলে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অভিযোগ আনা হয়েছিল যে, তারা ভারতের অখণ্ডতা, নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করেছে।
অপরদিকে এই মামলাকে বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করে আসছে বিভিন্ন মানবাধিকার গোষ্ঠী। তারা এটিকে জম্মু-কাশ্মীরে স্বাধীনতাপন্থী কণ্ঠস্বরের বিরুদ্ধে বৃহত্তর দমন পীড়নের অংশ বলে অভিহিত করেছে।
উল্লেখ্য যে, ১৯৮৭ সালে নারীদেরকে নিয়ে কাশ্মীর স্বাধীনতাপন্থী সংগঠন দুখতারান-ই-মিল্লাত প্রতিষ্ঠা করেন আসিয়া আন্দ্রাবি। তবে দুখতারান-ই-মিল্লাতসহ বেশ কয়েকটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার।
আসিয়া আন্দ্রাবির স্বামী আশিক হোসেন গত ৩ দশক ধরে দখলদার ভারতের কারাগারে রয়েছেন। ২০০৩ সালে একটি বানোয়াট হত্যা মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/h3yuhy3s


