কাশ্মিরে ৬ মাস পর চালু হচ্ছে মাত্র টু-জি ইন্টারনেট

0
192
কাশ্মিরে ৬ মাস পর চালু হচ্ছে মাত্র  টু-জি ইন্টারনেট

কাশ্মিরে ৬ মাস ধরে ইন্টারনেট বন্ধ করে রেখেছে মালাউন প্রশাসন। গত শনিবার থেকে ভারত জবরদখলকৃত জম্মু-কাশ্মিরে ব্রডব্যান্ড ও মোবাইল  ইন্টারনেট পরিষেবা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে  মালাউন প্রশাসন। সেখানে মাত্র টু-জি সেবা চালু হচ্ছে। তবে কেন্দ্রশাসিত ওই অঞ্চলে ইন্টারনেট চালু হলেও কিছু নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল থাকবে। সেখানে কেবল ‘তালিকাভুক্ত’ ওয়েবসাইটগুলোরই ইন্টারনেট অ্যাক্সেস থাকবে। মালাউনরা এখনও সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কাশ্মিরের বাসিন্দাদের জন্য বন্ধ করে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গত ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের ঘোষণার মধ্য দিয়ে কাশ্মিরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়। জম্মু-কাশ্মিরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করতে পার্লামেন্টে পাস হয় একটি বিলও। ৯ আগস্ট রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে আইনে পরিণত হয় তা। এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে কাশ্মিরজুড়ে মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক অতিরিক্ত সেনা। ইন্টারনেট-মোবাইল পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। আটক করা হয় সেখানকার শীর্ষ রাজনীতিকদের।কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপের পর থেকেই ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন পড়ে রাজ্যটি। যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ইন্টারনেটের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সম্প্রতি তা নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ‘কাশ্মির টাইমস’ এর নির্বাহী সম্পাদক অনুরাধা ভাসিন এবং কংগ্রেস সদস্য গুলাম নবি আজাদ। কেন্দ্রীয় সরকারের ইন্টারনেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা করেন তারা। ১০ জানুয়ারি বিষয়টি নিয়ে শুনানি চলাকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করে শীর্ষ আদালত জানায়, ‘এভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য ইন্টারনেট বন্ধ রাখা যায় না। এটা ক্ষমতার অপব্যবহার।’

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় যাওয়ার পর প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে বিজেপির  নরেন্দ্র মোদি সরকার ওই রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের ঘোষণা করে। সেই সময় সরকার খোড়া যুক্তি দিয়েছিল, ৩৭০ অনুচ্ছেদ ও ৩৫-এ ধারা দুইটা ‘সাংবিধানিকভাবে দুর্বল’ ‘বৈষম্যমূলক’ ছিল। এগুলো জম্মু ও কাশ্মিরের বিকাশকে বাধা দিয়েছে। ওই ঐতিহাসিক অন্যায়মূলক সিদ্ধান্তের সময় থেকেই প্রায় অবরুদ্ধ করে রাখা হয় গোটা উপত্যকাকে।

গত ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের ঘোষণার মধ্য দিয়ে কাশ্মিরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার কেড়ে নেয়ার পর উপত্যকার শীর্ষ নেতাদের আটক ও গৃহবন্দী করা হয়।

 সূত্র : এনডিটিভি।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন