
হিন্দুত্ববাদীদের নিপীড়ন থেকে নিজের সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে হত্যার শিকার হয়েছেন ৩৫ বয়সী এক মুসলিম পিতা। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ভারতের উত্তর-পূর্ব দিল্লির নান্দ নাগরি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানায়, ঘটনার দিন নিজ স্ত্রী, মা ও মেয়েদের নিয়ে বাড়িতে চা পান করছিলেন উমরদিন। এমন সময় তার ১৫ বছর বয়সী ছেলে তেহজিম কল দিয়ে আতঙ্ক্ষিত কণ্ঠে জানায়, একদল উগ্রবাদী হিন্দু তাকে ঘিরে রেখেছে এবং মারধর করছে।
হিন্দুত্ববাদীরা তখন বলছিল, সে একজন মুসলিম, তাকে মারো। ছেলেটির মা জানায়, তার সন্তান প্রাণ বাঁচানোর জন্য আর্তনাদ করছিল। নির্মম নির্যাতনের মুখে ছেলেটির মাথা ফেটে যায়। কেবল মুসলিম হওয়ার কারণেই তার সন্তানকে এভাবে টার্গেট করা হয়েছিল।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে তৎক্ষণাৎ ছুটে যান ছেলেটির পিতা উমরদিন। উগ্রবাদীদের মুখোমুখি হলে তারা কুৎসিত ভাষায় উমরদিনকে গালিগালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে এক অভিযুক্ত বন্দুক বের করে উমরদিনকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়, গুলিটি তার বুকে বিদ্ধ হয়। উমরদিনের স্ত্রী দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসক উমরদিনকে মৃত ঘোষণা করে।
এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। সোনু ও সর্দার, হত্যার দায়ে এই দুই অভিযুক্তকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা জিটিবি গোলচত্বর অবরোধ করে।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/3m6ds48b


