
অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে সামরিক জনবল আরও জোরদার করেছে দখলদার ভারত, এই লক্ষ্যে নতুন করে শত শত এলিট কমান্ডো বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
২২ মার্চ কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, দখলদার ভারতের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের (এসওজি) প্রায় ৩৫০ জন সদস্য পাহাড়ি অঞ্চল, ঘন বন ও তুষার আবৃত অঞ্চলে সূক্ষ্ণ অভিযান পরিচালনার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে। এই সদস্যরা বন ও পাহাড়ি পরিবেশে যুদ্ধের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। তাদেরকে কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র মুজাহিদদের ট্র্যাক করা ও ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া আন্তর্জাতিক সীমান্তে আধাসামরিক বাহিনীর অতিরিক্ত ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করেছে দখলদার ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। ক্রমবর্ধমান সামরিক পদক্ষেপের মধ্যে আরও রয়েছে যুদ্ধ ইউনিটে স্থানীয় পুলিশ কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের মত, উচ্চ সামরিক প্রশিক্ষিত সেনাদের এরূপ বড় পরিসরে মোতায়েন অধিকৃত এই ভূখণ্ডের বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে, যেখানে কাশ্মীরি জনগণের স্বাধীন আশা-আকাঙ্ক্ষাকে দমন করতে সামরিক শক্তিকে ব্যবহার করছে দখলদার ভারত।
তাদের মতে, কাশ্মীরের পরিস্থিতি যদি সত্যিই স্বাভাবিক হতো, তাহলে এ ধরনের আগ্রাসী সেনা গঠন ও যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতির মতো বিষয়গুলোর প্রয়োজন ছিল না।
তারা আরও উল্লেখ করেছে, ২০১৯ সালে কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক অধিকার প্রত্যাহারের পর উক্ত ভূখণ্ডের শান্তি ও স্থিতিশীলতার দাবি করে আসছে দখলদার নয়াদিল্লি প্রশাসন। কিন্তু সামরিক অভিযানের অব্যাহত সম্প্রসারণ, ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযান এবং স্বাধীনতাকামীদের দমনের জন্য গৃহীত পদক্ষেপসমূহ উক্ত অঞ্চলে বিরাজমান আতঙ্ক ও সংঘাতময় পরিবেশের বাস্তবতাকে তুলে ধরে।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/3rm3dhbj


