
২১ মার্চ শনিবার ভারতে উত্তরপ্রদেশের মেইনপুরি জেলার অন্তর্গত কুরাওয়ালি গ্রামে ঐতিহ্যবাহী একটি ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায়ে বাধা দিয়েছে স্থানীয় হিন্দুত্ববাদী পুলিশ কর্মীরা। ফলে পুলিশ ও উপস্থিত মুসল্লিদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এই সময় ঈদগাহের তত্ত্বাবধায়ক ও মুসল্লি শাকির হুসাইনকে ঈদগাহে কবর দেওয়ার হুমকি দেয় হিন্দুত্ববাদী পুলিশ কর্মকর্তা।
ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে কুরাওয়ালি পুলিশ স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও) ললিত ভাটি ও মুসল্লিদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের দৃশ্য উঠে এসেছে। ঈদের নামাজে একত্রিত হওয়া মুসল্লিদের ঈদগাহ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করতে জোরাজুরি করছিল এই পুলিশ কর্মকর্তা।
Dispute over Eid prayers in Mainpuri, UP.
The SHO, who arrived to stop prayers at a decades-old Eidgah, allegedly threatened the mutawalli (caretaker), Shakir Hussain, saying he would “grind him into the dust.”
Even local Hindu residents said they had no objection and that Eid… pic.twitter.com/tVihjkGvQO
— هارون خان (@iamharunkhan) March 21, 2026
অপরদিকে ঈদগাহের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে নামাজ আদায়ে বাধা দেওয়ায় মুসলমানদের ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন মুসল্লিরা। ঈদগাহের তত্ত্বাবধায়ক শাকির হুসাইন বলেন, বছরের পর বছর ধরে তারা এই ঈদগাহে বিনা বাধায় ঈদের নামাজ আদায় করেছেন, কখনও কোনও সমস্যা হয় নি।
উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তার (এসএইচও) উগ্র ব্যবহার ও হুমকির ফলে পরিস্থিতি আরও নাজুক রূপ ধারণ করে।
স্থানীয় হিন্দুরা মুসলিমদের পক্ষ নিয়ে জানায়, ঐতিহ্যবাহী এই ঈদগাহ ময়দানে মুসলিমদের নামাজ আদায়ে তাদের কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মী তার অবস্থানে অনড় থাকে। প্রায় ২০ মিনিট তর্ক-বিতর্কের পর অবশেষে ঈদের নামাজের অনুমতি পেতে সক্ষম হয় মুসল্লিরা।
এই ঘটনায় ঈদ আনন্দ উদযাপনে মুসলিমদের ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং হিন্দুত্ববাদী পুলিশের রূঢ় আচরণ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/pka9pmed


