
নরসিংদী শহরে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে বাড়িতে ঢুকে আবদুল্লাহ বাবু (২৬) নামের যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় তাঁর বড় ভাইসহ দুজন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে শহরের চৌয়ালা এলাকায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নিহত আবদুল্লাহ বাবু (২৬) নরসিংদী শহরের চৌয়ালা এলাকার উত্তরপাড়ার আবদুল কাদেরের ছেলে। তিনি ফুচকা-চটপটি বিক্রি করতেন। আহত হয়েছেন তার বড় ভাই মো. রুবেল (৩০)। আহত আরেকজন হলেন পার্শ্ববর্তী কোনাপাড়ার জাকির মিয়ার ছেলে মো. মিরাজ (২০)। মিরাজ হামলার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তাকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা গণমাধ্যমে জানান, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে আবদুল্লাহ বাবু নিজ বাড়িতে ছিল। ওই সময় আবু লালের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ঢোকে। তারা আবদুল্লাহর বুকে ও হাতে দুটি গুলি করে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তাদের বাধা দিতে এগিয়ে গেলে রুবেলের ডান হাতে কোপানো হয়।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ফরিদা গুলশানারা কবির গণমাধ্যমে বলেন, ‘নিহত আবদুল্লাহ বাবুর শরীরে গুলির চিহ্ন পেয়েছি। তাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ধারালো অস্ত্রের কোপে আহত দুই ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’
পুলিশ বলছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবু লাল এবং হেলাল মিয়া নামের স্থানীয় দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। দুজনের বিরুদ্ধে হত্যা, চুরি ও চাঁদাবাজির একাধিক মামলা রয়েছে। শুক্রবার বিকেলে আবু লাল পক্ষের লোকজন হেলালপক্ষের আবদুল্লাহ বাবুকে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে। তার ভাই রুবেলকে কুপিয়ে আহত করা হয়। মিরাজ কীভাবে আহত হয়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
তথ্যসূত্র:
১। নরসিংদীতে বাড়িতে ঢুকে হামলা, গুলিতে যুবক নিহত
– https://tinyurl.com/kzdyksah


