
জুলাই আন্দোলনের পর দেশজুড়ে গণআকাঙ্ক্ষার অন্যতম বিষয় ছিল দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় উপযুক্ত কারিকুলাম প্রণয়ন করে একটি মানসম্মত ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা। কিন্তু গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ইউনূস সরকার সেই গণআকাঙ্ক্ষার মূল্যায়ন করেনি। বর্তমান বিএনপি সরকারও শিক্ষা কারিকুলামের ক্ষেত্রে গণআকাঙ্ক্ষার বিপরীত অবস্থান নিয়েছে। এমনকি এ ক্ষেত্রে তারা পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের পথেই হাঁটছে।
এরই মধ্যে মুসলিমপ্রধান বাংলাদেশে স্কুল পর্যায়ে ২০২৭ বা ২০২৮ সাল থেকে নাচ-গান ও বাদ্যযন্ত্রের মতো ইসলামে নিষিদ্ধ বিষয়গুলো কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সে এ কথা জানায়।
প্রধানমন্ত্রী জানায়, প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই কোনো না কোনো প্রতিভা রয়েছে। সেই প্রতিভা বিকাশের জন্য তাদের উপযুক্ত সুযোগ করে দিতে হবে। শুধু পড়াশোনার মধ্যে শিশুদের সীমাবদ্ধ না রেখে শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলার ক্ষেত্রেও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দিতে হবে!
সে জানায়, ২০২৭ অথবা ২০২৮ সাল থেকে স্কুল পর্যায়ে এ কার্যক্রম পুরোপুরি চালুর লক্ষ্য রয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের আগ্রহ অনুযায়ী গান, নাচ, বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, কেরাত ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানায়, পরিবারের পক্ষে প্রত্যেক শিশুকে আলাদাভাবে এসব শেখানোর সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রামের শিশুরাও যাতে সমান সুযোগ পায়, সেজন্য স্কুল থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে সারাদেশে ২২ লাখ ছেলে ও মেয়ে ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এখান থেকেই আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি হবে!
তথ্যসূত্র:
১। শিশুরা স্কুলেই নাচ-গান, বাদ্যযন্ত্র ও কেরাত শেখার সুযোগ পাবে: প্রধানমন্ত্রী
– https://tinyurl.com/3ueb8avk


