
ঘটনাটি ঘটেছে মানিকগঞ্জ জেলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে। কর্তব্যরত দুই আনসার সদস্য তাকে ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগী নারী জানান, আমি আর আমার স্বামী বাজারে যাচ্ছিলাম, পথিমধ্যে গাড়ীর চার্জ শেষ হয়ে গেছে। তখন আমরা নিরাপদ জায়গা খোজার উদ্দেশ্যে হাসপাতালের সামনে এসে দাঁড়াই। হাসপাতালের সামনে দুইজন নিরাপত্তাকর্মী ছিল। উনারা আমাদের ঐখানে নিয়া গেছে। ঐ খানে নেওয়ার পরে আমাদেরকে বলতেছে তোমরা মিথ্যা কথা বলতেছ, এদের দুইজনকে দুইজায়গায় নিয়া কথা শুনে যদি মিলে তাহলে ছাইড়া দিমু, না হইলে পুলিশে দিমু। পরে আমার স্বামী ছিল নিচে আর আমি ছিলাম হাসপাতালের উপরে। পরে নিরাপত্তাকর্মী আমাকে অনেক কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করে আর আমাকে ভয় দেখায়, তোমারে মাইরা ফেলমু, এই জাতীয় ভয় দেখিয়ে আমাকে ধর্ষণ করে, পরে উনি যাওয়ার পরে আরেকজনকে পাঠাইছে, সেও এসে আমাকে ধর্ষণ করে।
ধর্ষিতার স্বামী জানান, বউকে যখন হাসপাতালের উপর তলা থেকে নেমে আসল তখন সে বলে, তখন আমার বউ বলে আমি এখানে থাকবোনা, আমার এখানে ভয় লাগে, চল বাসায় চইলা যাই, তখন আমি তার হাত আমার মাথায় রেখে বলতে বলি যে, তোমার সাথে কিছু হয়েছে কিনা, তখন সে বলে যে, আমার সাথে এমন এমন হইছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি সদর থানায় গিয়ে ডায়রী করি তখন পুলিশ এসে তাদেরকে সনাক্ত করে থানায় নিয়ে গেছে।
এই ঘটনায় ধর্ষক সাহাদাত ও আবু সাইদকে থানা হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার সত্যতা প্রমান পেয়েছে সদর থানার ওসি ইকরাম। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা জানায়, তারা একজন ধর্ষিতার স্বামীকে নিচে আটকে রাখে, আরেকজন ধর্ষন করে, পরে প্রথম ধর্ষক ধর্ষণের পর স্বামীর কাছে আসলে ২য় ধর্ষক ধর্ষণ করতে যায়। বর্তমানে সে হাসপাতালেই তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ওসি ইকরাম জানায়, মেয়ে অভিভাবক আসলে মামলা নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
প্রতিবেদনটি বাংলাদেশের বেসরকারী জনপ্রিয় চ্যানেল ডি.বি.সি নিউজ ১২.০১.২০২৬ ইং তারিখে সন্ধ্যা ৬ টার দিকে প্রচার করেছে।
বিষয়টি কতোটা ভয়াবহ তা সহজেই অনুমান করা যায়। দেশের পরিস্থিতি খুবই নাজুক। আইন কানুন একেবারেই নিঃস্ব ও অসহায়। বৃটিশদের আইনে এই বোন ধর্ষণের বিচার পাবে না।
তথ্যসূত্র:
https://tinyurl.com/4x8z8y9n


