
ভারতের উত্তর প্রদেশের মৈনপুরি জেলায় একটি স্কুলে ৮ম শ্রেণির এক দলিত শ্রেণিভুক্ত ছাত্রকে নির্মম নির্যাতন করেছে শ্রেণি শিক্ষক ও স্কুল কমিটির এক মেম্বার। পানির পাইপ ভাঙ্গার অভিযোগ এনে ছেলেটিকে মারধর করেছে নিপীড়নকারীরা। ১৪ বছর বয়সী এই ছাত্রের পিঠে ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে আঘাতের দাগ সুস্পষ্ট। ব্যাপক মারধরের কারণে বর্তমানে সে ঠিকভাবে হাঁটতে পারছে না।
ছেলেটিকে দলিত বা নিচুজাত অপবাদ দিয়ে গালিগালাজ করা হয়েছে, শারীরিকভাবে হেনস্থা করার পাশাপাশি হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তারা তাকে হুমকি দিয়েছে যে, “তুই যদি আবার স্কুলে পা রাখিস, তোকে আমরা হত্যা করব”।
গত ৩০ জানুয়ারি কুরাওয়ালি এলাকায় একটি বেসরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। ১ ফেব্রুয়ারি উক্ত শ্রেণি শিক্ষক ও স্কুল কমিটি মেম্বারের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগীর বড় ভাই।
ভুক্তভোগী ছেলেটি জানায়, আমি তৃষ্ণার্ত ছিলাম, তাই পানি খেতে গিয়েছিলাম, দেখি পানির ট্যাংকের পাইপটি আগে থেকে ভেঙ্গে আছে। কিন্তু এটা ভাঙ্গার জন্য আমাকে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে।
আমি বারবার নিজেকে নির্দোষ দাবি করা সত্ত্বেও কেউ আমার কথা শুনেনি। বরং নিম্নজাত অপবাদ দিয়ে তারা আমাকে বিদ্রূপ করেছে এবং হত্যার হুমকি দিয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, পাইপটি অন্য এক শিক্ষার্থীর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কিন্তু তথাকথিত নিচুজাতের হওয়ার কারণে তাদের সন্তানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে দোষারোপ করা হয়েছিল।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/3e977enz
2. https://tinyurl.com/5d98u6ak


