ডিগ্রি পরীক্ষায় সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ সভাপতির প্রক্সি দিতে গিয়ে ধরা খেল ভুয়া পরিক্ষার্থী

0
134

ডিগ্রি প্রথম বর্ষ পরীক্ষায় শরীয়তপুর সরকারি কলেজ সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের সভাপতি সোহাগ বেপারীর পরিবর্তে প্রক্সি দিতে গিয়ে ধরা খেয়েছে হাসেম হাওলাদার (২৪) নামে এক যুবক। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

হাসেম হাওলাদার শরীয়তপুর সদর উপজেলার চরপাতানিধি গ্রামের আ. জলিল হাওলাদারের ছেলে।
শরীয়তপুর সরকারি গোলাম হায়দার খান মহিলা কলেজ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ছিল ডিগ্রি প্রথম বর্ষ দর্শন পরীক্ষা। আর এ পরীক্ষায় শরীয়তপুর সদর উপজেলা সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের সভাপতি সোহাগ বেপারী শরীয়তপুর সরকারি কলেজের ছাত্র হিসেবে একাদশ শ্রেণির ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

সোহাগ বেপারী অসুস্থ দেখিয়ে শরীয়তপুর সরকারি গোলাম হায়দার খান মহিলা কলেজ কেন্দ্রের ২০১নং কক্ষে বুধবার দর্শন পরীক্ষায় বেড সিটে একা পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ নেয় বলে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়। সেখানে তিনি পরীক্ষা না দিয়ে তার পরিবর্তে অন্য হাসেম হাওলাদার নামে একজনকে দিয়ে পরীক্ষা দেয়াচ্ছেন।

বুধবার দর্শন পরীক্ষা চলাকালে শরীয়তপুর সরকারি গোলাম হায়দার খান মহিলা কলেজে পরিদর্শনে যান শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মাহবুব রহমান। তিনি গিয়ে পরীক্ষার্থী সোহাগ বেপারীকে না পেয়ে তার পরিবর্তে বহিরাগত যুবক হাসেম হাওলাদারকে পরীক্ষা দিতে দেখেন। এ সময় নির্বাহী কর্মকর্তা তাকে নাম-ঠিকানা জানতে চাইলে সে সোহাগ বেপারী বলে পরিচয় দেয়।

এ সময় কাগজ-পত্র ও প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া যায় না।

শরীয়তপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সসন্ত্রাসী সভাপতি সোহাগ বেপারী বলেছে, এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। আমি পরীক্ষা দেয়নি। এ বলে মোবাইল ফোন কেটে বন্ধ করে দেয়। এর একাধিকবার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

শরীয়তপুর সরকারি গোলাম হায়দার খান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. রেজাউল করিম বলেন, শরীয়তপুর সরকারি কলেজের ছাত্র সোহাগ বেপারীর পরিবর্তে হাসেম হাওলাদার নামে এক যুবক প্রক্সি পরীক্ষা দেয়। প্রথমে আমাদের কলেজের অফিস সহায়ক বিষয়টি জানার পর আমাকে জানায়।

সুত্রঃ যুগান্তর

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন