পরিদর্শকের আগমনে সরকারি রেল পরিষ্কার, গমনে যা-তাই!

0
493

বছর জুড়ে রেলস্টেশনের প্লাটফর্মসহ পার্শবর্তী আঙ্গিনা সবসময় অপরিচ্ছন্ন থাকে। পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করতে কোন তৎপরতা দেখা যায়নি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। স্টেশনের পাশেই যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং। যার কারণে যাত্রীদের পেতে হয় নানা ভোগান্তি। কিন্তু বাৎসরিক পরিদর্শনে বাংলাদেশ রেলওয়ের রেলপথ পরিদর্শকের (জিআইবিআর) আগমন উপলক্ষে স্টেশনটি পেয়েছিলো নতুন রূপ। পরিষ্কার করা হয়েছিলো জঙ্গল। তবে তার গমনের পর আবারো সেই গাড়ি পার্কিং। সেই পুরনো ভোগান্তি।

জিআইবিআর আসার খবর শুনে হঠাৎ করে নড়েচড়ে বসেছিলেন রেলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ। প্রত্যেকে নিজ নিজ দপ্তরকে সাজাতে থাকেন। তিন-চার দিন আগ থেকেই স্টেশনের প্লাটফর্ম, দেয়ালে রং দেয়া, যাত্রী বিশ্রামাঘার ধুয়ে-মুছে পরিস্কার, বিভিন্ন দাপ্তরিক অফিসের সংস্কার ও নতুন করে রং করানো, আসবাবপত্র পরিস্কার, স্টেশনের পাশে সিএনজি স্ট্যান্ড অপসারণসহ স্টেশনের আঙ্গিনা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছিলো। অনেক যাত্রী সাধারণ মনে করছেন, রেল পরিদর্শকের আগমনে লোক দেখানো পরিস্কার-পরিচ্ছন্নে কাজ করানো হয়েছে। তবে সারাবছর যদি এভাবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতো তাহলে যাত্রীরা অনেকটা স্বাচ্ছন্দে থাকতো বলে করেন স্থানীয়রা।

এ ছাড়া স্টেশনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ সারাবছর অফিসিয়াল পোশাক না পড়লেও পরিদর্শনের দিন সবাইকে অফিসিয়াল পোশাক পড়ে দায়িত্ব পালনে সরব দেখা গেছে। খবরঃ কালের কন্ঠের

সোমবার সকালে একটি বিশেষ ট্রেনে প্রায় ৫০ সদস্যের একটি টিম নিয়ে কুলাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশন পরিদর্শনে আসেন রেলপথ পরিদর্শক অসীম কুমার তালুকদার। তাঁর সাথে ছিলেন রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের ব্যবস্থাপক নাসির উদ্দিন আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মো. সুবক্তগীন, চীফ অপারেটিং সুপারেন্টেড মো. নাজমুল ইসলাম, প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক মো. শাহনেওয়াজ, প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিনসহ পূর্বাঞ্চলের সকল বিভাগের প্রধানগণ।

পরিদর্শনকালে তিনি কুলাউড়া রেললাইন, প্ল্যাটফর্ম, লোকো শেড, রেলওয়ে হাসপাতাল, রেস্ট হাউস, যাত্রী বিশ্রামাগার, প্ল্যাটফর্ম শেডসহ যাত্রীদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধার খোঁজখবর নেন। পরে তিনি স্থানীয় রেলবিভাগের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে যাত্রীসেবার মান ও সমস্যার বিষয়ে জানতে চান। তখন তাঁর কাছে বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা তুলে ধরা হয়।

রেলের লোকো শেড পরিদর্শনে গিয়ে কিছু অনিয়ম দেখতে পান। সেখানে রেজিস্ট্রেরি খাতায় ২ মাসে মাত্র ২ বার ট্রেনের ইঞ্জিন চেক করার তথ্য দেখানো হয়। সিএনজি স্ট্যান্ড গড়ে তুলে।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন