আশ-শাবাবের একটি ইস্তেশহাদী হামলা; ২টি শহর বিজয়, ৩১ এরও বেশি সেনা নিহত

3
1256
শাবাব কর্তৃক এক ইস্তেশহাদী হামলায় ২টি শহর বিজয়, ৩১ এরও বেশি সেনা নিহত

আল-কায়েদা পূর্ব আফ্রিকা ভিত্তিক সবচাইতে সক্রিয় শাখা হারাকাতুশ শাবাব আল-মুজাহিদিন একটি বীরত্বপূর্ণ অভিযানের মাধ্যমে সোমালিয়ার কৌশলগত ২টি শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন।

শাহাদাহ্ নিউজের তথ্যমতে, আজ ২৪ আগস্ট মঙ্গলবার, মধ্য সোমালিয়ার মাদাক রাজ্যের আমারা শহরে অবস্থিত সরকারি মিলিশিয়াদের একটি ঘাঁটিতে বীরত্বপূর্ণ সফল অভিযান চালিয়েছেন হারাকাতুশ শাবাব আল-মুজাহিদিন। আমারা শহর ও সামরিক ঘাঁটিটি নিয়ন্ত্রণ করতো ক্রুসেডার আমেরিকার প্রশিক্ষিত দানব ফোর্স এবং জালমাদুগে আঞ্চলিক সৈন্যরা। জানা যায় যে, প্রথমে মুরতাদ সেনাদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে একজন মুজাহিদ ইস্তেশহাদী হামলা পরিচালনা করেন। এতে শহর ও সামরিক ঘাঁটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়ে। পরে পজিশন নিয়ে থাকা অন্যান্য মুজাহিদগণ ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শহর ও ঘাঁটিতে মুরতাদ বাহিনীর উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন।

প্রথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, মুজাহিদদের এই বীরত্বপূর্ণ হামলায় এখন পর্যন্ত মুরতাদ বাহিনীর অফিসার সহ ৩১ এরও বেশি সৈন্য নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে আরও কয়েক ডজন মুরতাদ সৈন্য। নিহত সেনাদের মৃতদেহ যুদ্ধক্ষেত্রে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। এদিকে মুজাহিদদের কাছে শোচনীয় পরাজয়ের পর ঘাঁটি ও শহর ছেড়ে পালিয়েছে মুরতাদ বাহিনী। ফলে মুরতাদ বাহিনীর সামরিক ঘাঁটি ও কৌশলগত “আমারা” শহরের উপর মুজাহিদগণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ হন। এদিকে শহরের ভিতর লুকিয়ে থাকা সেনাদের ধরতে চিরুনি অভিযান চালাচ্ছেন মুজাহিদগণ।

সূত্র আরও জানায়, শহরটি বিজয়ের পর মুজাহিদগণ ১৫টি অত্যাধুনিক গাড়িও গনিমত পেয়েছেন, যার মাধ্যে ৮টি সাঁজোয়া যানও রয়েছে, যেগুলো বিপুল সংখ্যক অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে বোঝাই করা ছিল।

অপরদিকে হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদদের হাতে আমারা শহরের পতন সংবাদ খুব দ্রুততার সাথে ছড়িয়ে পড়ে শুত্রু শিবিরগুলোতেও। ফলে পার্শবর্তী “বা’দাউইন” শহরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সোমালিয় মুরতাদ সেনারা মুজাহিদদের হামলার ভয়ে আগেই শহর ছেড়ে পালিয়ে যায়। ফলশ্রুতিতে মুজাহিদগণ বিনা যুদ্ধই কৌশলগত ও গুরুত্বপূর্ণ “বা’দাউইন” শহরের উপরেও নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন।

3 মন্তব্যসমূহ

  1. আল্লাহু আকবার, এখন সোমালিয়া বিজয়ের অপেক্ষা উম্মাহ। সোমালিয়া বিজয়ের মাধ্যমেই আমেরিকার অর্থনিতী ধংশ হবে কিভাবে? সৌদীর তেলের খনির নিচেই সোমালিয়ার তেলের খনির স্থান। সোমালিয়া তেল উত্তোলন করলে সৌদী আর তেল পাবে না। আমেরিকার অর্থনিতী টিকে আছে সৌদীর কাছে ডলারে তেল কিনে এবং চুক্তি অনুযায়ী সৌদী অন্যদেশের কাছে ডলারে তেল বেচার কারনে । সৌদী ডলারে তেল বেচা বন্ধ করলে আমেরিকার অর্থনিতী ধংশ হয়ে যাবে। আমেরিকার ডলার সাধারন সাদা কাগজের যেই মুল্য সেই মুল্যও নাই। সৌদী অন্য দেশের কাছে আমেরিকান ডলারে তেল বেঁচে আমেরিকান ডলারের চাহিদা টিকিয়ে রাখে। এই একটা কারন ই আমেরিকার অর্থনিতী টিকে থাকার।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন