ফিলিস্তিনের জিহাদ || আপডেট – ৩ জানুয়ারি, ২০২৪

- সাইফুল ইসলাম

0
352
সুবিধামত ফন্ট ছোট বড় করুনঃ

দখলদার ইসরায়েলের বোমা হামলায় খান ইউনিসে অন্তত ২০ জন, রাফাহতে ৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

দক্ষিণ লেবাননের নাকুরাতে একটি ভবনে হামলা করেছে ইসরায়েল। এতে হিজবুল্লাহর হুসেইন ইয়েজবেকসহ ৩ জন নিহত হয়েছে।

লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক সাহাজে হুথিদের অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা!

গাজায় জায়োনিস্টদের হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ২২,৩১৩ জন ফিলিস্তিনি।

৩ জানুয়ারি দখলদার জায়োনিস্ট বাহিনীর উপর হামলার বিবরণ:

ইয়েমেনি সশস্ত্র হুতি বাহিনী:

ইসরায়েলি বন্দরের দিকে যাওয়ার সময় “CMA CGM TAGE” জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনি সশস্ত্র হুতি বাহিনী।

আল-কাসসাম ব্রিগেড:

মুজাহিদিন ব্রিগেডের সাথে এক যৌথ অভিযানে গাজা শহরের পূর্বে HERMES-900 ড্রোনে হামলা চালিয়েছেন।
বিভিন্ন জায়গায় দখলদার বাহিনীর ৬টি মারকাভা ট্যাংক ও ২টি সামরিক ডি৯-বুলডোজার আংশিকভাবে ধ্বংস করেছেন।
খান ইউনিসের পূর্বে জায়োনিস্ট বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে SAM মিসাইল দিয়ে হামলা করেছেন।
জায়তুন এলাকার দক্ষিণে একটি জায়োনিস্ট ড্রোন জব্দ করেছেন।
তুফফাহ এলাকার পূর্বে জায়োনিস্ট সামরিক বাহিনীর কিছু গাড়িকে লক্ষ্য করে মর্টার হামলা চালিয়েছেন।
খান ইউনিসে দখলদার সেনা ও সামরিকযানের উপর উচ্চ মাত্রা সম্পন্ন মর্টার হামলা করেছেন।
জাবাল আল-রাইরে পূর্বে দখলদার সেনা হেডকোয়ার্টারে মর্টার হামলা চালিয়েছেন।
খাজাআর পূর্বে জায়োনিস্ট পদাতিক বাহিনীকে লক্ষ্য করে ২টি অ্যান্টি-পার্সনেল মাইন বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন। এতে জায়োনিস্ট সৈন্যরা হতাহতের শিকার হয়েছে।
খান ইউনিসে জায়োনিস্টদের একটি দলকে টার্গেট করে অ্যান্টি পার্সনেল মাইন হামলা চালানো হয়েছে।

আল-কুদস ব্রিগেড:

আল-বুরেই ক্যাম্পে ২ জায়োনিস্ট সৈন্যকে স্নাইপার হামলা চালিয়ে একজনকে নিশ্চিত হত্যা করেছেন, আরেক সৈন্য আহত হয়েছে।
খান ইউনিসের পূর্বে ইমাম আলী মসজিদের আশপাশে দখলদার সেনাদের অবস্থানে ৬০মিমি মর্টার হামলা চালিয়েছেন।
উচ্চবিস্ফোরক ডিভাইস (ছাকেব) দিয়ে খান ইউনিসে একটি জায়োনিস্ট মারকাভা ট্যাংক ধ্বংস করেছেন।
খান ইউনিসের উত্তরপূর্বাঞ্চলে আরেকটি মারকাভা ট্যাংকে হামলা করেছেন।
খান ইউনিসে আল-কাসসাম ব্রিগেডের সাথে একটি যৌথ অভিযানে জায়োনিস্ট বাহিনীর কনভয়ে ৬০মিমি মর্টার হামলা চালিয়েছেন।

আবু আলী মুস্তফা ব্রিগেড:

খান ইউনিসের বারকুক ক্যাসলের পেছনে একটি ভবনে অবস্থান নেওয়া দখলদার সৈন্যদের আরপিজি দিয়ে হামলা করেছেন।

ওমার আল-কাসেম বাহিনী:

আল-বুরেইজ ক্যাম্পের পূর্বে দখলদার বাহিনীর সাথে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দখলদার সৈন্যদের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
শেখ রেদওয়ান এলাকায় এক জায়োনিস্ট সৈন্যকে স্নাইপার হামলার লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছেন। সরাসরি টার্গেট করেছেন দখলদার সৈন্যকে।
আল-মাগাঝি ক্যাম্পে প্রবেশের সময় দখলদার বাহিনীর একটি সামরিক যানে আরপিজি দিয়ে হামলা করেছেন। আরপিজি সরাসরি আঘাত হেনেছে গাড়িতে।
আল-শাতি ক্যাম্পের উত্তরাঞ্চলে দখলদার স্পেশাল বাহিনীর একটি গোয়েন্দা ড্রোন নামিয়েছেন।
আল-শাতি ক্যাম্পের উপকণ্ঠে দখলদার বাহিনীকে সুপরিকল্পিতভাবে একটি অ্যাম্বুশের দিকে টেনে আনা হয়। সেখানে দখলদার বাহিনীর মাঝে একটি ভূমি মাইন বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এরপর বাকি সৈন্যদের সাথে খুব কাছাকাছি থেকে উপযুক্ত অস্ত্র ব্যবহার করে যুদ্ধ করা হয়। এ হামলায় দখলদার সৈন্যদের অনেকে নিশ্চিত নিহত ও আহত হয়েছে।

আল-আকসা শহীদি ব্রিগেড:

খান ইউনিসে দখলদার সৈন্যদের উপর মর্টার হামলা চালিয়েছেন।
খান ইউনিসে ডি৯-বুলডোজারে আরপিজি দিয়ে হামলা চালিয়েছেন। ডি৯-বুলডোজারে থাকা জায়োনিস্ট সৈন্যরা নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

পূর্ববর্তী নিবন্ধসারেপুল প্রদেশে ৬ টি বাঁধ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
পরবর্তী নিবন্ধজেএনআইএম-এর পাল্টা আক্রমণে অন্তত ১০৪ বুরকিনান সৈন্য নিহত