
ভোলা-৪ আসনের চরফ্যাশন পৌরসভায় নির্বাচনি প্রচারকে কেন্দ্র করে দলীয় কর্মী হেনস্থার অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছে জামায়াতে ইসলামী চরফ্যাশন উপজেলা শাখা।
দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মীর মোহাম্মদ শরীফ হোসেন।
তিনি জানান, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ইসলামী আন্দোলনের নারী কর্মী মারিয়া কামাল সংবাদ সম্মেলনে দাবি করে, জামায়াতে ইসলামীর দুই কর্মী তাদের নির্বাচনি প্রচারে বাধা দিয়ে তাকে হেনস্থা করেছে। বিষয়টি যাচাই করে জামায়াতে ইসলামী ভিন্ন তথ্য পেয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলনের ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী এ এম এম কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল, তার ছেলে তাহযিব এবং যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি ফয়সাল হাত পাখা প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ চালাচ্ছিল।
এ সময় তারা ওই এলাকার সোহেল নামের এক ব্যক্তি ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বশির উল্লাহকে লিফলেট দেয়। লিফলেট নেওয়ার সময় নির্বাচনি জোট ও পীর সাহেবকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, একপর্যায়ে যুব আন্দোলনের নেতা ফয়সাল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বশির উল্লাহর গায়ে হাত তোলে। একই সময় পাশ দিয়ে যাওয়া স্থানীয় মসজিদের ইমাম হাফেজ আলাউদ্দিন ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে ফয়সাল তার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলে। পরে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হলে ফয়সাল হাফেজ আলাউদ্দিনকে মারধর করে মাটিতে ফেলে দেয়। ঘটনার ভাইরাল ভিডিওতে এসব দৃশ্য স্পষ্ট দেখা যায় বলেও তিনি দাবি করেন। পরে আহত হাফেজ আলাউদ্দিনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
এদিকে এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে একই ঘটনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ভোলা-৪ আসনের প্রার্থী এ এম এম কামাল উদ্দিন নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তার দলের নারী কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ তুলে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।
তথ্যসূত্র:
১। দলীয় কর্মীকে হামলার ঘটনায় জামায়াত–চরমোনাইয়ের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন
– https://tinyurl.com/ycxkr7uy


