আফগানিস্তানের বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন অগ্রগতি, খাফ–হেরাত রেলপথে তুরস্কে ৬০০ টন তুলা রপ্তানি

0
0

রপ্তানি একটি দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন, বৈদেশিক আয় বৃদ্ধি, দেশীয় উৎপাদনের প্রসার এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অবস্থান সুদৃঢ় করার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। বিশেষ করে স্থলবেষ্টিত আফগানিস্তানের জন্য নতুন রপ্তানি পথ উন্মুক্ত করা অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ লক্ষ্য সামনে রেখে খাফ–হেরাত রেলপথ ও ইরানের রেল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তুরস্কে ৬০০ টন তুলা রপ্তানি করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া। ২২ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার পাঠানো এ চালান আফগান পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যিক যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টায় একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

ইমারাতে ইসলামিয়ার গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ আশরাফ হকশিনাস হাফিযাহুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এ চালান আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে আফগানিস্তানের বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহন সম্পর্ক জোরদার এবং দেশের বিদ্যমান পরিবহন সক্ষমতা ও রপ্তানি পথের কার্যকর ব্যবহারের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, খাফ–হেরাত রেলপথ আফগানিস্তানকে ইরানের সঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি ইরানের রেল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্যান্য দেশের বাজারে পণ্য পরিবহনের সুযোগ তৈরি করেছে। এ পথে তুলা রপ্তানি দেশীয় পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে রেল যোগাযোগের ব্যবহারিক গুরুত্ব তুলে ধরে।

কর্মকর্তারা মনে করছেন, রেলপথের সম্প্রসারণ পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয় কমাতে, রপ্তানি বাড়াতে এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করতে সহায়তা করবে। আফগানিস্তানের রেল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে পণ্য পরিবহন ও রপ্তানি বৃদ্ধি পেলে জাতীয় আয়, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের সুযোগও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।


তথ্যসূত্র :

1. The Ministry of Public Works announced that 600 tonnes of cotton were exported to Türkiye
– https://tinyurl.com/2s395k6v

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

পূর্ববর্তী নিবন্ধরাঙামাটির সাজেকে পর্যটক-সেনা-পুলিশের ওপর ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ, উদ্ধার ৩ হাজার পর্যটক
পরবর্তী নিবন্ধকাশ্মীরের বিজবেহারা হত্যাকাণ্ডের ৩৩ বছর: এখনও বিচার পাননি নিহতদের পরিবার