টঙ্গী মাদরাসার ঘটনা নিয়ে বিতর্ককে ঘিরে রাসূল (ﷺ)-কে জঘন্য ভাষায় কটূক্তি অনলাইন শিক্ষকের, তীব্র ক্ষোভ সোশ্যাল মিডিয়ায়

0
13

টঙ্গীর মাদরাসায় ছয় বছরের এক শিশুকে চুমু দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলমান বিতর্কের মধ্যে প্রিয় নবী (ﷺ) ও হযরত আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর বিবাহ প্রসঙ্গ টেনে রাসূল (ﷺ)-কে নিয়ে চরম বেয়াদবিমূলক মন্তব্য করেছে আতিফি খালেদ নামে এক ব্যক্তি।

ফেসবুক কমেন্টে সে লিখেছে, ‘১৪০০ বছর আগে যে ছয় বছরের একটি মেয়েকে বিবাহ করেছিল, চটকানা টা তাকেই দেওয়া উচিত ছিল, এই চুনোপুঠি কে মেরে লাভ কি?’ অর্থাৎ মাদরাসা শিক্ষককে থাপ্পড় না দিয়ে রাসূল (ﷺ)-কে দেয়া থাপ্পড় দেয়া উচিত ছিল। (নাউজুবিল্লাহি মিন জালিক)

আতিফি খালেদ একজন অনলাইন ইংরেজি শিক্ষক। সে ‘ইনফ্লুয়েন্সার আইইএলটিএস প্রিপারেশন ইনস্টিটিউট’ (Influencer IELTS Preparation Institute) নামের একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা বলে জানা গেছে। তার সম্পর্কে এর বেশি বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি।

তার মন্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি ডিঅ্যাকটিভ করে দিয়েছে। তবে এর আগেই তার কমেন্টের স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে। একই সঙ্গে দেশে প্রচলিত আইনে শাতিমে রাসূলের মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি না থাকায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে।

উল্লেখ্য, মুসলিমপ্রধান বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হলেও মহান আল্লাহ, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) ও ইসলামকে অবমাননার জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান প্রচলিত সংবিধানে নেই। যার ফলে প্রতিনিয়তই ইসলাম বিদ্বেষী সেক্যুলার গোষ্ঠী ইসলাম অবমাননা করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

পূর্ববর্তী নিবন্ধ৪ বছরে পাকিস্তানি সন্ত্রাসী বাহিনীর বর্বর হামলায় হতাহতের শিকার ১,১১৯ আফগান বেসামরিক মানুষ
পরবর্তী নিবন্ধপ্রথমবারের মতো আফগানিস্তান-ইরানের মধ্যে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পণ্যবাহী যান চলাচল শুরু, দ্বিগুণ হলো পরিবহন সক্ষমতা