বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে ইসরায়েলি ফুটবল ক্লাব কিনলো আমিরাতি যুবরাজ

0
904
বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়ে ইসরায়েলি ফুটবল ক্লাব কিনলো আমিরাতি যুবরাজ
সুবিধামত ফন্ট ছোট বড় করুনঃ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বর্তমান ক্ষমতাসীন শাসক পরিবারের এক যুবরাজ দখলদার ইসরায়েলের একটি ফুটবল ক্লাবের অর্ধেক মালিকানা কিনে নিয়েছে। এ ক্লাবটির সমর্থকরা সবচাইতে বেশি মুসলিম ও আরব বিদ্বেষী। এছাড়া সমর্থকদের বিরুদ্ধে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকেও অবমাননার অবমাননার অভিযোগ রয়েছে।

বেইতার জেরুযালেম নামের এই ক্লাবটিতে আগামী ১০ বছরে ৯২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে শেখ হামাদ বিন খলিফা আল নাহিয়ান।

শেখ হামাদ দাবি করে, ‘আমি রোমাঞ্চিত এই গৌরবময় ক্লাবের অংশীদার হতে পেরে। আমি এই শহর সম্পর্কে অনেক শুনেছি, বিশ্বের অন্যতম পবিত্র শহর, ইসরায়েলের রাজধানী।’

ইসরায়েলের শীর্ষস্থানীয় ফুটবল ক্লাব বেইতার জেরুযালেম। যারা ছয়বার ইসরায়েলের প্রিমিয়ার লিগে জয় পেয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামেন নেতানিয়াহু এই ক্লাবটির সমর্থক।

এই ক্লাবটি পরিচিত ‘উগ্র’ সমর্থকগোষ্ঠীর জন্য, যারা ‘লা ফ্যামিলিয়া’ নামে পরিচিত। যারা আরবদের প্রতি সরাসরি বিদ্ধেষী।

ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ আরব।

ক্লাবটির স্টেডিয়ামে ‘আরবদের মৃত্যু হোক’ এমন শ্লোগান নিয়মিত শোনা গিয়েছে।

ক্লাবের সমর্থকেরা যখন জানতে পারে, একজন আমিরাতি আরব যুবরাজ এই ক্লাবটির অর্ধেক শেয়ার ক্রয় করেছে। এর পর থেকেই ক্লাবটির সমর্থকরা এবিষয়ে বিরোধিতা করছে।

ক্লাবটির সমর্থকেরা বেইতার জেরুজালেম স্টেডিয়ামের বাইরের দেয়ালে আক্রমণাত্মক ইসলাম ও আরব বিরোধী বিভিন্ন লেখা অংকন করে। তারা দেয়ালে লিখে, ‘মুহাম্মদ মারা গেছে’, ‘আরবরা মরে পঁচে গেছে’, ‘দুবাই তোরা আমাদের কিনতে পারবেনা’, আমরা তোদের….. (….অকথ্য ভাষায় গালি)’।

ঠিক তিন মাস আগে আরব আমিরাত প্রথম উপসাগরীয় আরব মুসলিম গাদ্দার দেশ হিসেবে দখলদার ইসরায়েলের অবৈধ রাষ্ট্রের সাতে সম্পর্ক স্বাভাবিকের চুক্তি করে।

চুক্তির পর দু-দেশের বানিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষে এ ক্লাবটি কেনা হয়েছে, এমনটাই জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যমগুলো।

সূত্র : ডকুমেন্টিং অপরেশন এগিনেস্ট মুসলিম।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

পূর্ববর্তী নিবন্ধইসলামের তারকাগণ | পর্ব: ১৩ | হযরত জাফর ইবনে আবু তালেব রাদিয়াল্লাহু আনহু
পরবর্তী নিবন্ধকোরআন পাঠ, হজ্ব ভ্রমণের জন্য মুসলিমদের গ্রেপ্তার করত চীন