ইরাক | মার্কিন বাহিনী কর্তৃক ১৪ বছরের বালিকাকে দলগতভাবে ধর্ষণ, পরিবারের সবাইকে ঠান্ডা মাথায় খুন

1
746
ইরাক | মার্কিন বাহিনী কর্তৃক ১৪ বছরের বালিকাকে দলগতভাবে ধর্ষণ, পরিবারের সবাইকে ঠান্ডা মাথায় খুন

ক্রুসেডার আমেরিকান সৈন্যরা ১৪ বছরের ইরাকি বালিকা আবেরকে প্রথমে দলগতভাবে ধর্ষণ করে, তারপর পরিবারের সবাইকে ঠান্ডা মাথায় খুন করে পুড়িয়ে ফেলে।

আজ থেকে ১৫ বছর পূর্বে ২০০৬ সালের মার্চের ১২ তারিখে ইরাকি বালিকা আবের আল জানাবির (১৪) উপর নেমে আসে সাম্রাজ্যবাদী ক্রুসেডার আমেরিকার কালো থাবা! আচমকাভাবে কিছু বুঝে উঠার আগেই আমেরিকান বর্বর সৈন্যরা ঝাপিয়ে পড়ে মুসলিম নিষ্পাপ শিশু আবেরের উপর। দলগত ভাবে ধর্ষণ আর পাশবিক নির্যাতনের মাধ্যমে তারা লুটে নেয় ছোট্ট বোনটির সর্বস্ব।

নিকৃষ্ট খেলায় মেতে আমেরিকান হিংস্র পশুরা, খুবলে খুবলে শেষ করে দেয় কোন বাবার এক রাজকন্যাকে, কোন মায়ের চোখের মণি কিংবা কোন ভাইয়ের স্নেহের ভালোবাসাকে!

ইরাকের মাহমুদিয়ায় ঘটে যাওয়া ইতিহাসের অন্যতম এই নৃশংস ঘটনায় প্রাণ হারায় আবের আল জানাবির পুরো পরিবারটি। নির্যাতন আর একেরপর এক ধর্ষণ শেষে রক্তপিপাসু আমেরিকান সৈন্যরা ঠান্ডা মাথায় হত্যা করে আবের সহ পরিবারের সবাইকে। প্রমাণ মুছে ফেলতে আগুনে পুড়িয়ে ফেলে হয় পুরো মুসলিম পরিবারটির মৃতদেহগুলো।

কোথায় আজ মানবতা, যখন মুসলিম মেয়েদেরকে তাদের পরিবারের সামনে ধর্ষণ আর নির্যাতন করা হয়, মুসলিম হবার অপরাধে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় পরিবারের সবাইকে?

মুসলিমদের প্রতি কাফের রাষ্ট্রগুলোর মানবতার সংজ্ঞাটা তাহলে কী?

শুনুন ক্রুসেডারদের মুখেইঃ-
ঘটনাটির সাথে জড়িত আমেরিকান সৈন্যবাহিনীর রিংলিডার স্টেভেন গ্রিন এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলে,”আমি ইরাকিদের মানুষ হিসাবে মনে করি না।”

ইরাক | মার্কিন বাহিনী কর্তৃক ১৪ বছরের বালিকাকে দলগতভাবে ধর্ষণ, পরিবারের সবাইকে ঠান্ডা মাথায় খুন

১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন