
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর বর্বরোচিত হামলায় আফগানিস্তানের বেশ কয়েকটি প্রদেশে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বিগত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত পাক সন্ত্রাসী বাহিনীর যুদ্ধাপরাধের দরুন সৃষ্ট মানবিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের একটি ইনফোগ্রাফিক প্রতিবেদন তুলে ধরেছেন ইমারাতে ইসলামিয়ার উপমুখমাত্র মৌলভী হামদুল্লাহ ফিতরাত হাফিযাহুল্লাহ।
প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, পাক সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় দেশের পাকতিকা, পাকতিয়া, কান্দাহার, নানগারহার, কুনার, কাবুল, খোস্ত, নুরিস্তান ও লাঘমান প্রদেশে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে। এসময় পাক সন্ত্রাসী বাহিনীর নির্মম সামরিক আগ্রাসনের দরুন ৭৬১ জন বেসামরিক নাগরিক শহীদ হয়েছেন, আরও ৬২৬ জন আহত হয়েছেন এবং ২৭,৪০৭টি পরিবার তাদের বাড়িঘর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
এছাড়া উক্ত প্রদেশসমূহে নির্মাণ ও অবকাঠামোগত ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছে। গোলার আঘাতে ১১০০ এরও অধিক বাড়িঘর সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া ২৫৬টি দোকান, ৩৪টি মসজিদ, ১৩টি স্কুল, ১৩টি মাদ্রাসা, ৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ৪২টি যানবাহন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি ৬৬১টি গৃহপালিত পশু প্রাণ হারিয়েছে।
উক্ত সময়ে পাকিস্তানের সামরিক আগ্রাসনের মাত্রা ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। আফগান ভূমি লক্ষ্য করে তারা ১৪,৯৭৩টি মিসাইল, মর্টার ও আর্টিলারি শেল নিক্ষেপ করেছে, যা সাধারণ মুসলমানদের ব্যাপক শারীরিক ও মানসিক অবনতি ঘটিয়েছে। এই সকল ধ্বংসযজ্ঞের ফলে আফগান অর্থনীতিতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হয়েছে বলেও বর্ণনা করেছেন উপমুখমাত্র মৌলভী হামদুল্লাহ ফিতরাত হাফিযাহুল্লাহ।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/45cvsv8n


