
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ফুটবল খেলার মাইকিং করাকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষের পর শনিবার (৪ এপ্রিল) ২য় দিনে চলছে ৮ গ্রামবাসীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ। প্রথমে সংঘর্ষ চার গ্রামের মধ্যে থাকলেও শনিবার তা বিস্তৃত হয়ে ৮ গ্রামের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় কমপক্ষে শতাধিক গ্রামবাসী আহত হয়েছে।
শনিবার (৪ মার্চ) সকাল ৭ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে। পরে জেলা সদর থেকে সেনাবাহিনী, ডিবি, অতিরিক্ত ১ প্লাটুন পুলিশ ও ভাঙ্গা থানা পুলিশ মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। পুলিশের একাধিক টিম, সেনাবাহিনী ও ডিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুই দিন আগে মুনসুরাবাদ গ্রামের রাহাত নামের এক কিশোর ফুটবল খেলার মাইকিং করার সময় পার্শ্ববর্তী গ্ৰামের কয়েকজন তাকে মারধর ও লাঞ্ছিত করে। এই ঘটনার সুত্র ধরে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর টানা আড়াই ঘন্টাব্যাপী মুনসুরাবাদ বাজারে সংঘর্ষ ঘটে।
সেই জের ধরে শনিবার সকাল থেকেই ফের সংঘর্ষে শুরু হলে তাতে জড়িয়ে পড়ে আরও ৪ গ্রামবাসী। মুনসুরাবাদ গ্রামবাসীর সঙ্গে পাশ্ববর্তী ৮ গ্রাম— খাপুরা, সিংগারডাক, মাঝিকান্দা, ভীমেরকান্দি, ছোট হামেরদী, হামেরদী, গুপিনাথপুর সহ ৮ গ্রামের মানুষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রায় ৫ ঘন্টাব্যাপী উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও দোকানপাট ভাঙচুরসহ ব্যাপক লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
এসময় থানা পুলিশের উপস্থিতি থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি পুলিশ।
তথ্যসূত্র:
১। টানা দুইদিন ধরে চলছে এক গ্রামের বিপক্ষে ৮ গ্রামের সংঘর্ষ, আহত শতাধিক
– https://tinyurl.com/mr23rsmh


