পাকিস্তানের ৩টি অঞ্চলে সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ৬ অভিযান

0
4

ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তানের (আইএমপি) প্রতিরোধ যোদ্ধারা সম্প্রতি পাকিস্তানের উত্তর ও দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান এবং খাইবার এজেন্সিতে ৬টি পৃথক অভিযান চালিয়েছেন, যা পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর একাধিক অবস্থান লক্ষ্য চালানো হয়েছে।

আইএমপি মুখপাত্র মাহমুদুল হাসান (হাফিযাহুল্লাহ) জানান যে, গত ৪ আগস্ট সকাল ৯:৩০ মিনিটে, পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানের দোসালি সীমান্তে একটি সফল অভিযান চালিয়েছেন। প্রতিরোধ যোদ্ধারা হালকা ও ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর একটি চৌকি লক্ষ্য করে এই আক্রমণটি চালিয়েছেন। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এই অভিযানে সামরিক বাহিনীতে হতাহত ও ব্যাপক বস্তুগত ক্ষতি হয়েছে।

এদিন দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের আজম ওয়ারসাক সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে অবস্থিত সামরিক বাহিনীর বেশ কয়েকটি চেকপয়েন্ট লক্ষ্য করে প্রতিরোধ যোদ্ধারা ভারী আক্রমণাত্মক অভিযান পরিচালনা করেছেন। আইএমপি-র প্রতিরোধ যোদ্ধাদের পরিচালিত এই আক্রমণাত্মক অভিযানগুলোতে সামরিক বাহিনীর বহু সংখ্যক সৈন্য নিহত ও আহত হয়েছে। সেই সাথে ব্যাপক বস্তুগত ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে গত ৩ আগস্ট সোমবার, পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে ৩টি পৃথক অভিযান চালান প্রতিরোধ যোদ্ধারা। এরমধ্যে একটি অভিযান স্পিন ওয়াম সীমান্তে অবস্থিত সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীর একটি বিশাল সামরিক দুর্গ লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। এসময় প্রতিরোধ যোদ্ধারা দুর্গটির ঠিক মাঝখানে ছয়টি গ্রেনেড লঞ্চার বিস্ফোরণ ঘটান, এরপর লেজার এবং বিভিন্ন ছোট-বড় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রতিরোধ যোদ্ধারা তীব্র আক্রমণ চালান। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এই অভিযানে সামরিক বাহিনীর ২ সেনা সদস্য নিহত এবং আরও বেশ কিছু সৈন্য আহত হয়েছে।

প্রতিরোধ যোদ্ধারা অঞ্চলটিতে দ্বিতীয় অভিযান পরিচালনা করেন মীর আলী সীমান্তের ‘শের আতলা বোহলি’ এলাকায়। উক্ত এলাকায় অবস্থিত সামরিক বাহিনীর একটি চৌকি লক্ষ্য করে প্রতিরোধ যোদ্ধারা গেরিলা পদ্ধতিতে অভিযানটি পরিচালনা করেন। প্রতিরোধ যোদ্ধারা তাদের তৃতীয় অভিযানটিও মীর আলী সীমান্তের কারাগাহ এলাকায় অবস্থিত একটি সেনা সদর দপ্তর লক্ষ্য করে পরিচালনা করেন। এই অভিযানে প্রতিরোধ যোদ্ধারা একটি ড্রোনও ব্যবহার করেন। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এই হামলাগুলোতে সন্ত্রাসী সামরিক বাহিনীতে হতাহত ও বস্তুগত ক্ষতি হয়।

এদিন খাইবার এজেন্সির তিরাহ উপত্যকার ভুটান এলাকায় প্রতিরোধ যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে সামরিক আগ্রাসন চালানোর চেষ্টা করে সন্ত্রাসী সেনারা। পরে প্রতিরোধ যোদ্ধারা সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে সময়মতো তীব্র পাল্টা আক্রমণ চালাতে শুরু করেন। এতে ৪ সন্ত্রাসী সেনা নিহত হয় এবং একটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়।

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

পূর্ববর্তী নিবন্ধদেশজুড়ে হত্যা-ধর্ষণ-ছিনতাইমূলক অপরাধ লাগামহীন, বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থাহীনতাকে দায়ী ভাবছেন বিশ্লেষকগণ