
ভারতে উত্তরপ্রদেশের কনৌজ জেলায় ১৪ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণ, নিপীড়ন ও উপর্যুপরি ধর্ষণ করেছে ৩ হিন্দু।
মুসলিম মেয়েটি হাম্মালিপুরায় অবস্থিত মাদ্রাসা মহসিনাতে অধ্যয়নরত। ৩ মে সকাল ৮টার দিকে খাবার ক্রয়ের জন্য সে মাদ্রাসা হোস্টেল থেকে বের হয়েছিল, কিন্তু আর ফিরে আসেনি।
মেয়েটিকে তার মা ফোন করেছে দাবি করে মিথ্যা বলে প্রলুব্ধ করেছিল অভিযুক্ত ধর্ষক দীপু। তখন মেয়েটিকে জোরপূর্বক তার বাড়িতে নিয়ে যায় দীপু, সেখানে মেয়েটিকে প্রায় ২ দিন ধরে জিম্মি করে রাখে। অভিযুক্ত বাকি ধর্ষকরা হলো দীপুর ভাই সঞ্জীব ও বন্ধু ধীরজ।
আটক অবস্থায় মেয়েটি নির্মম নৃশংসতার শিকার হয়। কোল্ড ড্রিংকস এর নাম করে মেয়েটিকে তারা মদ পান করতে বাধ্য করে। এরপর তারা মুসলিম মেয়েটিকে উপর্যুপরি ধর্ষণ করে।
অপরাধীরা সেখানে একটি মিথ্যা বিয়ের নাটক সাজায়, তার চুলে সিঁদুর ও পায়ে আলতা লাগিয়ে দেয়। ৫মে মেয়েটি একটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার মাকে ফোন করতে সক্ষম হয়। আতঙ্কিত কণ্ঠে সে মাকে তার অবস্থান প্রকাশ করে।
অভিযুক্ত দীপুর ঘরের ছাদে অজ্ঞান অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর মেয়েটিকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে, নারী বিশেষত মুসলিম তরুণীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
উক্ত ঘটনার অপরাধী দীপুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, বাকি ২ অপরাধী বর্তমানে পলাতক রয়েছে।
তথ্যসূত্র:
1. https://tinyurl.com/3n2c7pc9


