হিন্দুত্ববাদের দালাল সরকার দেশ চালাচ্ছে!

1
281

হে উম্মাহ! আমাদের বাংলাদেশ আসলে কাদের হাতে, তা একের পর এক ঘটনার মাধ্যমে স্পষ্ট হচ্ছে। মাত্র দু’মাস আগে ভারতের বিরুদ্ধে বলার কারণে বুয়েটের মেধাবী ও ধার্মিক ছাত্র আবরারুল ইসলাম ফাহাদকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। তার রেশ না কাটতেই দু’মাসের মাথায় কিছুদিন আগে আবার হিন্দুত্ববাদী ভারতের বিরুদ্ধে বলার কারণে বর্বরোচিতভাবে হামলা করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি নুরুল হক নূরুর উপর। তার অপরাধ তিনি হিন্দুত্ববাদি ভারত সরকারের মুসলিম বিরোধী এন আর সি ও নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিপক্ষে ও সত্যের পক্ষে কথা বলেছিলেন। আর সে কারণেই ভারতীয় দালাল সরকারের ছত্রছায়ায় এদেশে আরএসএসের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া ছাত্রলীগের হিন্দু নেতাদের নেতৃত্বে ভিপি নূরকে নির্মমভাবে হত্যা করে ফেলার চেষ্টা করা হয়।
গত ২২ ডিসেম্বর, আওয়ামীলীগের নিজস্ব সন্ত্রাসীবাহিনী ছাত্রলীগের একাংশ ও কথিত মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কর্মীরা এ হামলা করে। হামলায় নেতৃত্ব দেয় ভারতীয় র এর এজেন্ট, সন্দেহভাজন ইসকন সদস্য হিন্দু নেতা সনজিদ চন্দ্র দাস। এই হিন্দু মালউন প্রথম আঘাত করার সময় যখন নুরু বললেন: আপনি তো ডাকসুর কেউ না, আপনি আমাকে চার্জ করেন কেন? তখন এই হিন্দু মালউন বলেছিল: আমি কে কিছুক্ষণ পরেই টের পাবি। তারপর তার দলবল লাইট বন্ধ করে বাঁশ ও রড নিয়ে হামলে পড়ে।
এ ঘটনার কতগুলো আলামত সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, এটা হিন্দুত্ববাদের দালাল সরকারের ছত্রছায়ায় এবং ঢাবি প্রশাসনের সহযোগীতায় সংঘটিত হয়েছে। যেমন:
১. এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে দলবল নিয়ে মিছিল করে হামলা করতে আসে এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে প্রকাশ্যে এ সকল কর্মকাণ্ড চালায়। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রহস্যজনকভাবে নিরবতা অবলম্বন করে। তারা কোন ব্যবস্থাই গ্রহণ করে না। বরং মারামারি চলাকালীন অবস্থায় আক্রান্ত ছাত্রদের কয়েকজন যখন দৌড়ে প্রক্টরের কাছে গিয়ে আবেদন করে, স্যার, নূরকে বাঁচান। তখন প্রক্টর উল্টো তাদেরকে ধমক দিয়ে বলে:‘তোমরা ওখানে গেছো কেনো? তোমাদের বহিষ্কার করে দেবো।’ আহতরা বলে, আমরা না গেলে তো স্যার নুরকে মেরে ফেলত।
২. তাদেরকে দলবলসহ মিছিল করে হামলা করতে আসতে দেখলেও পুলিশ প্রশাসন কোন উদ্যোগ নেয় না। বরং নীরব ভূমিকা পালন করে।
৩. এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসীরা বর্বরোচিত হামলার পর হামলার ভিডিও ফুটেজ নষ্ট করার জন্য প্রশাসনিকভাবে স্থাপিত সিসি ক্যামেরার হার্ডডিক্স ও মনিটর পর্যন্ত খুলে নিয়ে যায়, যা অভাবনীয় দু:সাহসিকতা। ইতিপূর্বে কোন সন্ত্রাসীরা এরকম করার সাহস করেনি।
৪. এ ঘটনার পর তথাকথিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলে: “আমার নিজেরই প্রশ্ন, নুরুর ওপর কেনো বারবার হামলা হচ্ছে। আপনারা যদি এটির কোনো কারণ পান তাহলে আমাকে জানাবেন। ” যেখানে পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে সারা দেশ জানে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা জানে যে, আওয়ামী সরকারের দেশ বিরোধী ভারত তোষা ষড়যন্ত্রমূলক নীতির বিরুদ্ধে বলার কারণেই আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ও হিন্দু সন্ত্রাসীরা নুরুর উপর হামলা করেছে, সেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী না জানার অজুহাত দেখাচ্ছে। আসলে অজুহাত নয়, তার এ কথা বলার পেছনে উদ্দেশ্য হলো নুরুর উপর দোষ চাপানো। মানে, নুরুল হক যে হিন্দুত্ববাদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, সেটা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে দোষের মনে হয়েছে। আর, এ কারনেই নুরুর উপর হামলা হয়েছে বলে সে হামলাকারীদের সাফাই গাওয়ার চেষ্টা করছে।

এছাড়াও সে এ নৃশংসা ঘটনার সময় নীরব ভূমিকা পালনকারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলে:
‘এখন পর্যন্ত যতটুকু দেখেছি তাতে আমার মনে হয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো সঠিক আছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি আমাদের সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করে তাহলে আমরা সেটি নিতে পারব।’

সে পুলিশের নীরব ভূমিকার পক্ষেও যুক্তি দাঁড় করিয়ে বলে: “আমি বলতে চাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ঢুকে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের যখন প্রয়োজন হয়, প্রক্টর বা ভিসি যদি অনুমতি দেন কিংবা অনুরোধ করেন তখনই তারা যায়। কাজেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়ে সেখানে এ ধরনের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনই কার্যকর ভূমিকা রাখে।”
এভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মূলত সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কর্মীদের পক্ষে সমর্থন দেয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের নীরব ভূমিকার সাফাই গেয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হওয়া নূরুর উপরই দোষ চাপানোর চেষ্টা করে।
শুধু তাই নয়, আহতদের চিকিৎসা নিয়েও ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ বিড়ম্বনা করে। কারণ স্বয়ং রাষ্ট্র যখন তাদের বিরুদ্ধে, তখন রাষ্ট্রীয় কোন প্রতিষ্ঠানই তাদের পক্ষে থাকবে না। এটাই স্বাভাবিক। এমনকি মাঝে মাঝে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানও তাদেরকে সহযোগীতা করার সাহস করবে না। আর তা ই ঘটেছে নূর ও তার সাথীদের বেলায়।

ঢাকা মেডিকেল কর্তৃপক্ষ আহতদের ব্যাপারে প্রথমে বলেছে, এখানে যারা রয়েছে তাদের অবস্থা তেমন সংকটাপন্ন নয়। তিনচার দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে ফিরে যেতে পারবে। কিন্তু পরবর্তীতে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে একেকজন আহতের ব্যাপারে একেকটি ভয়ংকর ভয়ংকর সমস্যার কথা তুলে ধরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।  কারো নাকি মাথায় রক্ত জমাট বেধেছে, মেরুদণ্ড ভেঙ্গে গেছে, তাই বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে,দু’মাস শুয়ে থাকতে হবে। কারো কিডনির ৭০% ডেমেজ হয়ে গেছে,কারো ৩০% ডেমেজ হয়ে গেছে, কারো মাথায় প্রচণ্ড আঘাত লাগার কারণে ব্রেইন ই নষ্ট হয়ে গেছে। ইত্যাদি।
শুধু এতটুকুই নয়, যারা আহত হয়েছে সেই আহতদের বিরুদ্ধেই আবার মামলাও দায়ের করা হয়েছে বিভিন্ন ছুতো ও অছিলা দিয়ে!!! যেন চিরতরে তাদের কণ্ঠ রোধ করা যায়।

হে আমাদের জাতি! স্পষ্টভাবেই দেখা যায় যে, আবরার হত্যার ঘটনা আর নূরু হত্যার চেষ্টার ঘটনা দু’টি একই সূত্রে গাথা। আবরার হত্যার ঘটনায়ও সরকার কর্তৃক বাংলাদেশের মুসলিম জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে দেশের স্বার্থগুলো ভারতকে দিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদ করায় ছাত্রলীগ তাকে হত্যা করে। আর এক্ষেত্রে মাষ্টারমাইন্ডে থাকে হিন্দু অমিত শাহ। পেপারে তার কল রেকর্ড উঠে আসে যে, সে ফোন করে তার অধীনস্তদের নির্দেশে দেয়: আরো মার।
আর নূরু হত্যা চেষ্টার ঘটনায়ও ভারতের মুসলিম বিরোধী অমানবিক ও বর্বর আইন ‘নাগরিকত্ব সংশোধন’ বিলের বিরুদ্ধে বলায় হিন্দু সনজিদ চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে নূরু ও তার সাথীদের উপর নির্যাতন চালানো হয়।
সেখানেও মাষ্টারমাইন্ডে ছিল হিন্দু অমিত শাহ। এখানেও নেতৃত্বে ছিল হিন্দু সনজিদ চন্দ্রদাস। সেখানে ছাত্রলীগ তাদের সহযোগী হিসাবে কাজ করেছে, এখানেও ছাত্রলীগ তাদের সহযোগী হিসাবে কাজ করেছে। সেখানেও সরকারের আজ্ঞাবহ প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রহস্যজনক নিরবতা অবলম্বন করেছে। নির্বিঘ্নে হত্যাকাণ্ড চলতে দিয়েছে। এখানেও সরকার, প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত নগ্নভাবে শুধু নিরবতাই অবলম্বন করেনি, বরং আহতরা সাহা্য্য চাইতে গেলে উল্টো তাদেরকেই ভর্ৎসনা করে।
হে আমাদের জাতি! এ ঘটনাগুলো সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশে প্রকাশ্যে ভারতের দালালী চলছে। বাংলাদেশের হিন্দুরা ভারতের স্বার্থে ও তাদের নিজ জাতির স্বার্থে কাজ করছে। এদেশে ভারতের প্রভাব ও হিন্দুদের প্রভাব এতো বেড়ে গেছে যে, কোথাও ভারতের বিরুদ্ধে বা হিন্দুদের বিরুদ্ধে বললেই তার জন্য অপেক্ষা করবে ভয়ংকর পরিণতি। বাংলাদেশে হিন্দুদেরকে রক্ষায় সমস্ত প্রশাসন নিয়োজিত। আর মুসলমানদের রক্তের কোন মূল্য নেই। হিন্দুরা আমাদের প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার পূত-পবিত্র সহধর্মীনী ও সাহাবীগণকে গালি দিলেও তাদেরকে সমস্ত রাষ্ট্রশক্তির মাধ্যমে হেফাজত করা হয়। আর মুসলমানদেরকে পাইকারীভাবে হত্যা করা হয়। তারপরও আবার অসংখ্য মুসলিমের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। যেন নিজের মামলার চিন্তা করতে করতেই আর প্রতিশোধপরায়ণ হওয়ার সুযোগ না পায়।
হে প্রিয় উম্মাহ! আপনারা সংবাদমাধ্যমে জেনেছেন যে, আওয়ামীলীগের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, টংগী ইজতেমার মাঠে আলেমদের উপর সন্ত্রাসী হামলার মূলহোতা ও গডফাদার আসাদুজ্জামান প্রকাশ্যভাবে ঘোষণা দিয়েছে যে, কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে যুদ্ধ বাঁধলে বাংলাদেশ ভারতের পক্ষে থাকবে!!!! ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!!
মুসলিম জাতির কত বড় দুশমন হলে এবং ইসলামের কত বড় আদর্শিক শত্রু হলে কাশ্মীরের মজলুম মুসলমানদের বিরুদ্ধে ভারতের জুলুম-অত্যাচারের পক্ষে অবস্থান নিতে পারে? যেখানে ভারত কাশ্মীরে কারফিউ জারি করে এবং বিদ্যুত ও ইন্টারনেট সুবিধা বন্ধ করে দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত কাশ্মীরি মুসলিমগণকে বাকি বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে, কাশ্মীরি যুবকদেরকে ধরে নিয়ে নির্মম নির্যাতন করছে, আর নির্যাতিতদের চিৎকারের আওয়ায লাউড স্পিকারের সাহায্যে সমস্ত এলাকায় প্রচার করছে, যেন সকল মুসলমানগণ ভয় পায়। ভারতীয় সৈন্যরা কাশ্মীরি নারীদেরকে ধর্ষণ করছে এবং এখন খোদ ভারতে মুসলমানদেরকে রাষ্ট্রহীন করার চক্রান্ত করেছে। মুসলমানদেরকে জয় শ্রী রাম বলতে বাধ্য করছে। না বললে নির্মমভাবে হত্যা করছে। মুসলমানদেরকে কীট-পতঙ্গ ও দু’পাই জানোয়ার বলছে এবং ভারতের ভিতরে মুসলিমদের উপর গণহত্যা চালানোর সব আয়োজন সম্পন্ন করে ফেলেছে, সেই উগ্র, হিংস্র, বর্বর ও সন্ত্রাসী ভারতের পক্ষে যুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইসলাম চির শত্রু হাসিনা ও তার দল!
এর মাধ্যমে হাসিনা সরকারের চরম ইসলাম বিদ্বেষী সাম্প্রদায়িকতাও স্পষ্ট হয়ে উঠে। কারণ তারা ভারতের উগ্র ও হিংস্র সাম্প্রদায়িক শক্তির ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সমর্থক। তারা বাংলাদেশে হিন্দু সাম্প্রদায়িকতাকে লালন করছে। তারা নবী অবমাননাকারী ব্লগারদের ইসলাম বিদ্বেষী সাম্প্রদায়িকতাকে অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছে ও পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। এভাবে হাসিনা সরকার নিজেও ইসলাম বিদ্বেষী চরম সাম্প্রদায়িক আবার অন্যান্য সকল ইসলাম বিদ্বেষী সাম্প্রদায়িক শক্তিকেও লালন করছে।

অতএব হে আমাদের মুসলিম জাতি!! আপনারা হিন্দু মুশরিকদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইসলাম বিদ্বেষী আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে সচেতন হোন! তারা মুসলমানদের দেশকে কাদের হাতে তুলে দিচ্ছে তার ব্যাপারে সতর্ক হোন। আপনাদের অস্তিত্ব ও সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে আপনাদের মুজাহিদ ভাইদের সহযোগীতা করুন! মিডিয়া তাদেরকে অমানবিক, হিংস্র ও জঙ্গী বলে প্রচার করছে, আপনারা তাতে বিভ্রান্ত হবেন না। প্রকৃতপক্ষে আপনাদের শত্রুরা তাদের শত্রুকে আপনাদের শত্রু বলে প্রচার করছে। আপনাদেরকে তাদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। অন্যথায় তারাই আপনাদের জাত শত্রু। আর যাদেরকে জঙ্গী বলে প্রচার করছে সেই মুজাহিদগণই আপনাদের স্বজাতীয় বন্ধু ও আপনাদের হিতাকাংঙ্খী।
মহান আল্লাহ আমাদেরকে বুঝার ও আমল করার তাওফিক দান করুন!!


লেখক: সালাহউদ্দীন আহমাদ

১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন