অবৈধ বালু কারবারী দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগ নেতা অধরা

0
827
অবৈধ বালু কারবারী দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগ নেতা অধরা

প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বগুড়ার ধুনট উপজেলায় বাঙ্গালী নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন নবাব আলী নামে এক দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি স্থানীয় নিমগাছি ইউনিয়ন সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক।

কিন্ত ওই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে আইনি কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি আজো রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। ফলে বালু অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি। চলমান এই বালু উত্তোলনের ফলে বসতভিটা, ফসলি জমি, সড়ক ও সেতু ধসের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

জানা গেছে, উপজেলার বেড়েরবাড়ি গ্রামের বাঙ্গালী নদীর ওপর ২০০৮ সালে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। নদীর মাঝে ওই সেতুর ১৪টি পিলার রয়েছে। এ অবস্থায় সেতুর উত্তর পাশে নদীর বুক থেকে খননযন্ত্র দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন নিমগাছি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নবাব আলী। প্রতিদিন তিনি ওই বালু বিক্রি করে অবৈধভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ধুনট উপজেলা শহর থেকে জেলা শহরের সাথে যোগোযোগের জন্য বাঙ্গালী নদীর ওপর নির্মাণ করা হয়েছে সেতু। সেতুর পূর্ব পাশে নিমগাছি ও পশ্চিম পাশে বেড়েরবাড়ি গ্রাম। সেই উত্তর পাশে ৩০০ মিটার দূরে খননযন্ত্র বসিয়ে নদীর গভীর থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এই বালু বিক্রি করা হচ্ছে জেলা শহরসহ বিভিন্ন এলাকায়। প্রতিট্রাক বালুর মূল্য ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। প্রতিদিন ১৫০-২০০ ট্রাক বালু বিক্রি করা হয়।

এ সময় সেখানে উপস্থিতি ১০-১২ জন এলাকাবাসী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এখন বর্ষা মৌসুম। নদীর পানির প্রবল স্রোতে দুই পাশের ফসলি জমি ও অনেক বসতবাড়ি ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। এ বিষয়ে আমরা প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু প্রশাসন কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে নবাব আলী ও তার লোকজন আমাদের মারপিটের চেষ্টা করেছেন এমনকি প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শন করছেন।

নবাব আলী জানান, বাঙ্গালী নদী থেকে বালু উত্তোলনে সেতুর ক্ষতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। এলাকার কিছু মানুষ সুবিধা না পেয়ে শত্রুতা করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন। কালের কন্ঠ

মন্তব্য করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন