মডেল মসজিদ নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী

5
768
মডেল মসজিদ নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা পরিষদ চত্বরে মডেল মসজিদ নির্মাণে অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। ঠিকাদার আওয়ামী মাফিয়া বাহিনীর লোক।

নিম্নমানের বালু, কমগ্রেডের সিমেন্ট, পরিমাণে কম ও কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুরনো ইট, ২০ মিলির পরিবর্তে ১৬ মিলির রড, মসজিদের বেইজে ঢালাইয়ে পাথরের পরিবর্তে ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। ঢালাইয়ের কাজে স্টিলের স্যাটারিং ব্যবহার বাধ্যতামূলক থাকলেও সেখানে কাঠের সাটারিং ব্যবহার করা হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনের ছোট ভাই মোস্তাফিজুর রহমান রবিন মসজিদটি নির্মাণে ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছেন। প্রতিমন্ত্রীর প্রভাব খাটিয়ে এই নিম্নমানের কাজ করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছে।

নির্মাণাধীন মসজিদটি ঘুরে দেখা গেছে, এর প্রাথমিক স্তরের কাজ চলছে। মসজিদের পিলার ও গম্বুজের কাজ চলমান দেখা গেছে। এসময় নির্মাণ শ্রমিকদের কাছে কাজের মান প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কেউ বলার আগ্রহ দেখাননি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শ্রমিক বলেন, ‘মসজিদের কাজের মান খুবই খারাপ হচ্ছে। বেইস ঢালাইয়ে পাথরের খোয়া ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও সেখানে ইটের খোয়া ব্যবহার করা হয়েছে। নিম্নমানের বালু ও কমগ্রেডের সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। কয়েকটি জায়গায় পুরনো ইট, পুরনো প্লেইন রড ব্যবহার করা হয়েছে। বিশেষ করে যেখানে ২.৫ এফএম’র বালু ব্যবহারের কথা সেখানে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের ধুলোর মতো বালু। সিমেন্টের ব্যবহার পরিমাণ মতো দেওয়া হচ্ছে না। ইট ও পাথরের খোয়া ভালোভাবে পরিষ্কার না করে ময়লাযুক্ত অবস্থায়ই ঢালাইয়ের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।’

ওই শ্রমিক আরো বলেন, ‘আমরা কামলা দেই। ঠিকাদার যেভাবে কাজ করতে বলেন সেভাবেই আমাদের করতে হয়।’

কালের কণ্ঠ

5 মন্তব্যসমূহ

  1. মডেল মসজিদ নিয়ে আপনাদের এত সমস্যা কোথায় বুঝতে পারতেছি না।
    এ মসজিদগুলো তো ওহাবীদের আন্ডারে যাবে না কখনো তাহলে আপনারা কেন চিন্তা করছেন এগুলো নিয়ে?

  2. আপনারা দেওবন্দী তথা ওয়াহাবিরা এই মডেল মসজিদ গুলি নিয়ে রিপোর্ট না করলেই ভালো হবে কেননা এটার সাথে আপনাদের কোন লেনদেন নেই। আর না এগুলোতে কোন দেওবন্দী মৌলভীকে ইমামতির জন্য রাখা হবে‌।

  3. নাহ! মন্দের ভালো রড নিম্ন মানের দিয়েছে ঠিক আছে কিন্তু বাঁশ তো দেয় নাই 😄😄 আমরা তো আগে এরকম নিউজও পেয়েছি যে স্কুলের ছাদে রডের পরিবর্তে বাঁশ দেওয়া হয়েছে!
    বাকি বিষয়গুলো আর কি বলবো পবিত্র রমজান মাসে সময় নস্ট করে লাভ নেই…….

Leave a Reply to Rifat Abrar প্রতিউত্তর বাতিল করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য করুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন